শিরোনাম
দুঃস্থ নারীদের নগদ টাকা উপহার দিল হিউম্যান সাপোর্ট ফাউন্ডেশন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বায়েজিদ থানা ছাত্রদলের মিলাদ ও ইফতার বিতরণ স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হেলাল উদ্দিনের অর্থায়নে ফ্রি সবজি বাজার আন্দরকিল্লায় রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর সমস্যা, সমাধানে করণীয় ও হোমিওপ্রতিবিধান ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রামে আজ মাহে রমজানের শেষ জুমা; জেনে নিন জুমাতুল বিদার মহত্ত্ব আলোচিত ‘নয়া দামান’ গানের মূল শিল্পী তোসিবা বেগম উপেক্ষিত নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভারত থেকে প্রবেশ বাড়ছে আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা কেন করবেন? সরকারিভাবে অন্তত ৯০০ টন অক্সিজেন মজুত আছে
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন

৭ নভেম্বরের উত্তাল দিনগুলোর ন্যায় আজও দেশের স্বাধীনতা হুমকীর সম্মুখীন

রিপোর্টারের নাম / ১২০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদী চক্রের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয়ে সিপাহী-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল। ৩ থেকে ৬ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অনিশ্চিত অবস্থা বিরাজ করছিল। হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছিল আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব। সে দিন সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমেই রক্ষা পায় সদ্য অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। নস্যাৎ হয়ে যায় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র। ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে মুক্ত করে বিপ্লবী সিপাহীরা। তাদের বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র ও একদলীয় শাসনের অবসান ঘটেছিল। ৭ নভেম্বরের উত্তাল দিনগুলোর ন্যায় আজও দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হুমকীর সম্মুখীন। এ অবস্থায় দেশপ্রেমিক জনগণকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধেই মোকাবেলায় তীব্র আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দুই নাম্বার গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যানে র‌্যালী ও পুষ্পস্তবক অর্পণ পরবর্তী সমাবেশে এ সব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামীম আরো বলেন, ‘আধিপত্যবাদী শক্তির তাবেদার এক দলীয় সরকারের দু:শাসনে দেশের মানুষ নির্যাতিত। গণতন্ত্রকে দেয়া হয়েছে নির্বাসনে। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। সরকারি দল ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড এক রকম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন আদালত, গণমাধ্যম সবই সরকারের নিয়ন্ত্রণে। বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিতে দেশের প্রধান বিচারপতিকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। তাই ৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনতে হবে।’

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭৫ সালের এ দিনে জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৈনিক-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে। ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনে প্রেরণার উৎস। ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্তকে রুখে দেয়ার জন্য অকুতোভয় সিপাহী-জনতা এক ইস্পাত কঠিন ঐক্যে শপথবদ্ধ হয়ে ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব সংগঠিত করেন। এ ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারন করে গণজাগরণ সৃষ্টির মাধ্যমে বর্তমানে অগণতান্ত্রিক সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমে আসতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে শাহাদাত আরো বলেন, ‘বর্তমানে আবারো বিদেশি শক্তির ক্রীড়নক সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতাকে জোর করে আঁকড়ে ধরেছে। সরকারের নতজানু নীতির কারণেই দেশের সার্বভৌমত্ব দিনের পর দিন দুর্বল হয়ে পড়েছে। এক তরফা ভোটার বিহীন নির্বাচনে দেশের গণতন্ত্র আজ মৃতপ্রায়।’

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘বর্তমান গণতন্ত্রের লেবাসে দেশে আধিপত্যবাদী শক্তির তাবেদারেরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত। সরকার ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে বিরোধী দলের ওপর চালাচ্ছে দমন নিপীড়ন। লাখ লাখ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় জেলে ঢুকিয়ে সরকার সারাদেশকে কারাগারে পরিণত করেছে। মিডিয়ার ওপরও চলছে দলন-নির্যাতন। দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। দেশ আজ নানামুখী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের জালে জড়িয়ে পড়েছে। এ সুযোগে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, এমপিসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা চরম দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। দুর্নীতির হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতিসহ এক আতংকগ্রস্ত অবস্থায় দেশের মানুষ এখন মুক্তির জন্য নতুন এক বিপ্লবের প্রহর গুনছে।’

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ‘৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। জিয়াউর রহমানকে যখন বন্দি করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে, তখনই সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমিক সৈনিকরা জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে নাজুক পরিস্থিতিতে দেশের হাল ধরার অনুরোধ করেন। সে দিন জিয়াউর রহমান দেশের হাল না ধরলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তো। দেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র বলে কিছু থাকতো না। জিয়াউর রহমানের বলিষ্ট নেতৃত্বের কারণে আজ দেশ উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তার নেওয়া বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসাবে দেশ আজও এগিয়ে যাচ্ছে।’

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটনেের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, এসকে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, হারুন জামান, মাহবুবুল আলম, শফিকুর রহমান স্বপন, ইকবাল চৌধুরী, এসএম আবুল ফয়েজ, জাহিদুল করিম কচি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এসএম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলম, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আবুল হাসেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো সিরাজ উল্লাহ প্রমূখ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ