শিরোনাম
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৮০০ পিস আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা তৈরি করল প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১

চট্টগ্রাম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের প্রধান চাহিদা হল উচ্চ মাত্রার অক্সিজেন প্রবাহ। একজন করোনা রোগীর মিনিটে ৫০ থেকে ১০০ লিটার অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, যা হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার মাধ্যমেই দেয়া সম্ভব। এ ক্যানোলার বাজারমূল্য দুই লাখ থেকে দশ লাখ টাকা। এ কারণে পৃথিবীর অন্য দেশের মত বাংলাদেশেরও বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কম মূল্যের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা তৈরি করার চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কম মূল্যের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা তৈরি করেছে। এ ক্যানোলা দিয়ে মিনিটে ৫০ থেকে ৭০ লিটার অক্সিজেন একজন করোনা রোগীকে দেয়া সম্ভব। এ অক্সিজেনের ঘনত্ব ২০ থেকে ৫৪ শতাংশ।

ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান টুটন চন্দ্র মল্লিকের তত্ত্বাবধানে ক্যানোলাটি তৈরি করেছেন বিভাগের শেষ বর্ষের তিন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, জিতু দাশ ও নুরুল আজিজ। এ প্রজেক্টে মেডিকেল এক্সপার্ট হিসেবে সহায়তা করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার মোহাম্মদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দুপুরে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য কার্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেনকে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৈরিকৃত হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলাটি প্রদর্শন করা হয়।

তিনি বলেন, ‌করোনা রোগীদের জীবন রক্ষা করার জন্য দেশের হাসপাতালগুলো উচ্চমূল্যে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা বিদেশ থেকে আমদানি করছিল। এতে রোগীদের চিকিৎসা-খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছিল। তাই দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম মূল্যের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা তৈরির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি এ ধরনের ক্যানোলা তৈরি করে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় কাজ করেছে।’

অনুপম সেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কম মূল্যের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা তৈরির জন্য ধন্যবাদ জানান।

এ ক্যানোলা প্রজেক্টের তত্ত্বাবধায়ক টুটন চন্দ্র মল্লিক বলেন, কম দামে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা তৈরির প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো অক্সিজেনের প্রবাহের সাথে সাথে অক্সিজেনের ঘনত্ব, আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। এ বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য প্রকৌশলী ও চিকিৎসকের সমন্বয় প্রয়োজন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর একেএম তফজল হক, রেজিস্ট্রার খুরশিদুর রহমান, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মুন্না, কম মূল্যের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলাটির উদ্ভাবক বিভাগের শেষ বর্ষের তিন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, জিতু দাশ ও নুরুল আজিজ।

প্রেস বার্তা

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ