শিরোনাম
চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের সমন্বয় সভায় ট্রেনে যাত্রী সেবা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ নিংশ্বাসের বন্ধু’র প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রামে ১৬-১৭ জুন থিয়েটার থেরাপি প্রয়োগ বিষয়ক রিফ্রেশার্স ট্রেনিং চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০১:৪১ অপরাহ্ন

সিতাকুণ্ডে প্রিমিয়াম ট্রেড কর্পোরেশনে শ্রমিক নিহত; মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ১১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১

চট্টগ্রাম: সিতাকুণ্ড উপজেলার বারাউলিয়ায় অবস্থিত প্রিমিয়াম ট্রেড কর্পোরেশনে কর্মরত মো. জলিল নামে একজন শ্রমিক কর্মরত অবস্থায় রোববার (৬ জুন) আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করলেও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘এত দিন কোন শ্রমিক মারা গেলে হার্ট এটাকে মৃত্যু হয়েছে বলে মালিক পক্ষ থেকে প্রচার করা হত। এখন শ্রমিকদের মৃত্যুর জন্য নতুন কারণ বজ্রপাত যুক্ত করে মালিক পক্ষ নিজেদের দায় এড়ানোর নতুন কোন কৌশল নিয়েছেন। প্রচন্ড বৃষ্টিপাত এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে শ্রমিকদেরকে জাহাজ ভাঙ্গার কাজে নিয়োজিত রেখে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন মালিক পক্ষ।’

জাহাজ ভাঙ্গা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের আহ্বায়ক তপন দত্ত এবং যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে মু. শফর আলী ও এ এম নাজিম উদ্দিন সোমবার (৭ জুন) এক যুক্ত বিবৃতির মাধ্যমে এসব কথা বলেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘২০২০ সালে ১০ জন শ্রমিক মৃত্যুবরণ করেছেন এবং ৩০ জনের বেশী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। ২০২১ সালে নিহত মো. জলিলসহ মোট ৬ জন শ্রমিকের মৃত্যুর সংবাদ প্রমাণ করে যে, বার বার দাবি জানানো সত্বেও জাহাজ ভাঙ্গা শ্রমিকেরা চরম অনিরাপদ কর্ম পরিবেশে কাজ করছে।’

শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘প্রতি বছর জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প খাতে কাজ করতে গিয়ে প্রচুর শ্রমিক আহত ও নিহত হচ্ছে অথচ সরকার, প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং মালিক পক্ষ জাহাজভাঙ্গা শিল্প খাতে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তেমন কোন কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না, যা শ্রমিকদের জীবনের প্রতি চরম অবহেলা এবং মানবাধিকারের লঙ্ঘন।’

নেতৃবৃন্দ জাহাজভাঙ্গা শিল্প খাতে কর্মরত শ্রমিকদের জীবনমান রক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সরকার ও মালিক পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

শ্রমিক নেতৃবৃন্দ নিহত শ্রমিককে ‘লস অফ ইয়ার আর্নিংস, সাফারিংস এন্ড পেইন’ এর ভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং শ্রম আইনের ৯৯ ধারা এবং জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরন আইন ২০১৮ এর ২০ ধারা অনুযায়ী গ্রুপ ইন্সুরেন্সের ২ লাখ দেয়ার দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দ একই সাথে নিহতের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

প্রেস বার্তা

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ