শিরোনাম
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৮০০ পিস আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন

সাংসদদের কাছে দেশের মান্ধাতার আমলের বয়স সীমা ৩০ নির্মূলের দাবি

মোহাম্মদ নুরুন্নবী / ৭৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

বাংলাদেশের সর্বস্তরের চাকরি প্রত্যাশীদের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা। এদেশের প্রায় অর্ধাংশ লোকের ভোটে আপনারা নির্বাচিত হয়েছেন। আপনারা এদেশের ষোল কোটি মানুষের প্রতিনিধি। আপনারা দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সদা তৎপর। দেশ ও জাতির বহু বৃহত্তর স্বার্থে আপনারা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি দরকার।

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি ও সমৃদ্ধি করতে পারে না। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সর্ব প্রথম দরকার, শিক্ষিতদের সঠিক মর্যাদা দান করা। সঠিক মর্যাদা বলতে-একটা সময়ে পড়াশোনা শেষে, তাদেরকে যথোপযুক্ত সময় দিয়ে চাকরি পেতে সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করা। সঠিক মর্যাদা পাওয়ার মধ্য দিয়েই জাতি পেতে পারে উপযুক্ত সুনাগরিক। শিক্ষিত সমাজ যখনই তার অধিকার পাবে, বেকারত্ব থেকে মুক্তি ঘটবে, জাতি ততই অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে অগ্রসর হবে। আর শিক্ষিত মানুষ হবে আরো সুশিক্ষিত আরো স্বশিক্ষিত।

শিক্ষিতরা উপযুক্ত মর্যাদা না পাওয়ার কারণে শিক্ষাবান্ধব সমাজ গঠন হচ্ছে না। ফলে দেশে দুর্নীতি ও অরাজকতা বেড়ে মানুষের নীতি-নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটছে। শিক্ষিতদের দাসত্বের জীবন পার করতে হচ্ছে। পরিবার ও সমাজ তাদের বোঝা মনে করছে। অথচ কত আশা নিয়ে পড়াশোনা করেছে, যাতে চাকরি করে বাবা-মায়ের আশার আলো হবে! কিন্তু দুঃখের বিষয়, তাদের কান্না কেউ শুনে না। অনার্স-মাস্টার্স শেষ করতে এদেশে ২৭-২৮ বছর চলে যায়। সেখানে সরকারও ৩০ এ সনদপত্র বাতিলের আইন করে রেখেছে। অথচ পাশ্চাত্য দেশে নূন্যতম ৩৫ বছর পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা রেখেছে। সরকারী সব ইস্তিহারেও ৩৫ করার প্রত্যয় দিয়েছিলেন, সেটারও কোনো বাস্তবায়ন নেই। একটি স্বাধীন দেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা, কোনো নির্দিষ্ট অঙ্কের মধ্যে কোনভাবেই আটকে থাকতে পারে না।

সারা দেশের ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আপনারাই পারেন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স নূন্যতম ৩৫ ফিরিয়ে আনতে। সব প্রকার দ্বিধা ভুলে উন্নতশীল রাষ্ট্রের ন্যায় এবং আপনাদের ইস্তিহাসের কথা চিন্তা করে বয়স সীমা ৩৫ বছর করার এখনই উপযুক্ত সময় এসেছে। একাজে যদি আপনারা ব্যর্থ হোন, তাহলে সারাদেশের ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিপতিত হবে।

আপনারা জাতীয় সংসদে দেশের আইন তৈরি ও বাস্তবায়ন করার অধিকারি। আইনকে দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যাণে লাগানোর দায়িত্ব আপনাদের। তাই দেশের ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের ক্রান্তিলগ্নে, শুধু বিসিএস ক্ষেত্রে নয়, সব প্রকার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার জন্য আইন প্রণয়ন করে তার যথাযথ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। সকলের অনুরোধ, জাতির শিক্ষিতদের স্বার্থে এমন উদ্যোগকে কোনভাবেই আপনারা ছোট করে দেখবেন না। আপনাদের প্রণীত আইন ও তার যথার্থ বাস্তবায়নই পারে দেশের শিক্ষিতদের সঠিক মর্যাদা দান করতে।

আশা করি, দেশের শান্তিকামী আপামর ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষিতদের দাবী পূরণে আপনারা সচেষ্ট হবেন।

মোহাম্মদ নুরুন্নবী
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম

add

আপনার মতামত লিখুন :

One response to “সাংসদদের কাছে দেশের মান্ধাতার আমলের বয়স সীমা ৩০ নির্মূলের দাবি”

  1. Nurun Nabee Nur says:

    ধন্যবাদ ভাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ