মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

সহকারীদের কর্মবিরতিতে পঞ্চম দিনের মতো অচল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩০৫ Time View

চট্টগ্রাম: বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের পদবী ও গ্রেড পরিবর্তনসহ বিভিন্ন দাবিতে বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির (বাকাসস) কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত সারাদেশে ১৫ দিনব্যাপী পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি চলছে।

এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস) চট্টগ্রাম জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) টানা পঞ্চম দিনের মতো পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেছে।

বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা জেলা পর্যায়ের এ কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার কারণে অচল হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। মাঠ প্রশাসনের কর্মচারীরা আদালত পাড়ায় জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। কর্মবিরতি চলাকালে জেলা প্রশাসনের সকল শাখা কর্মচারী শুন্য হয়ে পড়ায় সেবা পেতে আসা লোকজনকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

টানা পাঁচ দিন কর্মবিরতির ফলে এডিএম কোর্ট, রাজস্ব কোর্ট ও রেকর্ড রুমসহ জেলা প্রশাসনের সব শাখার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে সব ধরনের কার্যক্রম।

জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় কর্তৃক বারবার আশ্বাস দেওয়ার পরও দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় গত ১৫ নভেম্বর থেকে টানা ১৫ দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতির কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছে বাকাসস।

এ উপলক্ষে এক সভা সংগঠনের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এসএম আরিফ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন বাকাসস চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সহ-সভাপতি স্বদেশ শর্মা, আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক উদয়ন কুমার বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন ও নুরুল মুহাম্মদ কাদের। বাকাসস চট্টগ্রাম জেলা শাখার মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বপন কুমার দাশ, শ্যামল বিশ্বাস, সমীর কান্তি চক্রবর্তী, প্রদীপ কুমার চৌধুরী, নিউটন বড়ুয়া, মাহবুবুর রহমান, আলী আজম খান, প্রবোধ বড়ুয়া।

সভায় বক্তারা বলেন, ‘কালেক্টরেট সহকারীরা দীর্ঘ দিন ধরে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেয়ার পরও এখনো কালেক্টরেটে কর্মরত সহকারীদের পদবী ও গ্রেড পরিবর্তনসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় নি। দাবি-দাওয়া মেনে নেয়ার পরপরই কর্মচারীরা আন্দোলন থেকে ফিরে গিয়ে কাজে যোদ দেবেন।

সভায় আরো ছিলেন আবদুল মোবিন, ইখতিয়ার উদ্দিন, বিজয় বড়ুয়া, দেবাশীষ রুদ্র, সাইফুর রহমান, শাপলা দাশগুপ্ত, সোয়েব মোহাম্মদ দুলু, সারাহ্ হোসেন, মো. শাহেদ, মিজানুর রহমান চৌধুরী, পরাগ মনি, আবদুল অদুদ, নাজিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, শাহনাজ সুলতানা, সাঈদুল ইসলাম, মোজাফফর হোসেন, কাজলী দেবী, আনোয়ার হোসেন, সাদিয়া নুর, বিশ্বজিত দাশ, মো. নুরুচ্ছফা, কানু বিকাশ নন্দী, সাদেক উল্লাহ, লিটন দাশ, শফিউল আলম, ফজলে আকবর চৌধুরী, সায়েদুল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দীন আহম্মদ, পুতুল দত্ত, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সৈয়দ মোহাম্মদ এরশাদ আলম প্রমূখ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

Share This Post

আরও পড়ুন