শিরোনাম
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৮০০ পিস আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

সরকার নিজের ভুল বুঝতে না পারলে সন্দ্বীপবাসী তার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিবে

মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বাবর / ২৮৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

অতি মাত্রায় স্বার্থ চিন্তা, রাজনৈতিক কূটকৌশল এবং ক্ষমতা দেখানোর এ যুগে মানবতা দেখানো অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। কিন্তু সেই প্রশংসা আর প্রশংসা থাকে না, যদি কাউকে উদারতা দেখাতে গিয়ে নিজেই ভিকটিম হয়ে যায়। যেটাকে আমরা বলি, ‘অতি চালাকের গলায় দড়ি।’

আমরা যেটাকে বুড্ডিস্টদের হিংসার প্রতিফলন মনে করি, সেটা আসলে পরিকল্পিত এবং বাংলাদেশকে রাজনৈতিকভাবে চাপে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখার এক বিশাল কৌশল। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে এতো বড় ষড়যন্ত্র এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলা হচ্ছে অথচ আমাদের রাজনৈতিক কর্তা ব্যক্তিদের সেই ব্যাপারে কোন মাথা ব্যাথাই নেই। নেই কোনো কূটনৈতিক উদ্যেগ, নেই কোনো রাজনৈতিক চাপ তৈরির পরিকল্পনা।

এক সময় গুটি কয়েক কর্মকর্তা যারা কিছুটা বৈদেশিক সাহায্যের ভাগ-ভাটোয়ারা পাওয়ার আশায় ব্যাপারটিকে দীর্ঘায়িত করতে চেয়েছিল, তাদের জন্য হতাশার সংবাদ এই যে, বিদেশীরা আর সাহায্য দিতে চায় না। বরং তারা ঋণ দিতে ইচ্ছুক। কি মজা! ভিন্ন রাষ্ট্রের অপকর্মের ভার নিবে ঋন করে? এ ধরনের আন্তর্জাতিক ও যৌক্তিক বিষয়ে যদি সরকার সফল না হয়, তাহলে বাংলাদেশের কূটনীতি বলে কিছু অবশিষ্ট আছে?

কি আশ্চর্য! ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে কোনো চেষ্টা না করে এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের পরিশ্রমের দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য। দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকা যদি তাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে ব্যয় করতো, এতোদিনে তাহলে সফল হতো।

সন্দ্বীপবাসী বছরের পর বছর হাজার হাজার কোটি টাকা রেমিটেন্স এনে দেওয়ার বিনিময়ে একটি ব্রিজ বা নিরাপদ নৌ ভ্রমণের জন্য যুগ যুগ ধরে আন্দোলন করেও ব্যর্থ ১০০ কোটি টাকা বরাদ্ধ পেতে। অথচ কোনো আন্দোলন ছাড়াই সন্দ্বীপবাসীদের পুর্ব পুরুষদের জমি দখল করে রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকা? এটা কি মেনে নেওয়া যায়?

সন্ধীপবাসীর প্রতি এই বিমাতাসুলভ আচরণের হেতু কি? সন্দ্বীপবাসী এর জবাব চাই। আমরা আমাদের প্রতি রাষ্ট্রীয় কোন অন্যায় মেনে নিবো না। সরকার যদি অবিলম্বে নিজের ভুল বুঝতে না পারে, তাহলে সন্দ্বীপবাসী তার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিবে। আমার ভূমি আমার অধিকার। রাষ্ট্র চাইলেই যা ইচ্ছা তা করতে পারে না।

লেখক: সন্দ্বীপবাসী, চট্টগ্রাম। ফেসবুক পোস্ট।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ