শিরোনাম
স্যামসাং ও ডেইলি স্টারের যৌথ ক্যাম্পেইন ‘শিখরে ওঠার প্রত্যয়’ সিভাসুর বিভিন্ন সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা ১৫ জুন থেকে অনলাইনে কবিতা: আমার আমি । ইমতিয়াজ মাহমুদ নাঈম পরিকল্পিতভাবে ভাইকে ফাঁসানোর আগেই র‌্যাবের হাতে ধরা করোনাকালে ঈদুল ফিতরে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের করনীয় মোমেনবাগ ক্লাবের উদ্যোগে দুস্থ পথচারীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মুরাদপুরে রক্তাক্ত গন্ডামারা: এক । শুরু থেকেই স্থানীয়রা এস আলম গ্রুপকে অবিশ্বাস করতে থাকে সিএমপির সন্ত্রাসী তালিকায় আবুল হাসেম বক্কর ও হাসান মুরাদ; যুবদলের নিন্দা ও প্রতিবাদ ফেনীতে ইসলামী হোমিওরিসার্চ সেন্টারের ৪১ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৩; নতুন সনাক্ত এক হাজার ২৩০ জনের
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৫:০৩ অপরাহ্ন

সময় অপচয় না করে আমরা চলে গেলাম রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত ব্রিজে

নুরুন্নবী নুর / ১১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০

বড় ভাইয়ের (বশর) সাথে কথা ছিল, ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বর রাঙ্গামাটিতে একটা মাজারের ওরশে যাওয়ার। হল (সোহরাওয়ার্দী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে বাসায় গেলাম ২১ ডিসেম্বর (সোমবার)।

ভাবি জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি যাবে না মাজারে?’ বললাম, ‘অবশ্যই যাব।’

২২ ডিসেম্বর সব ঠিক। দুপুর দুইটায় চবির এক নাম্বার গেইট থেকে বাসে উঠব।

বলে রাখি, বড় ভাই আবুল বশর তিন পার্বত্য জেলার বাস ও ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক। পেশায় একজন চালক, পাহাড়িকা বাস চালান। আমাকে তাঁর বাসে তুলে নিলেন।

হাটহাজারী থেকে তুললেন পরিবারের অন্য সদস্যদের। তাদের মধ্যে আছেন, বড় ভাইয়ের স্ত্রীসহ দুই পুত্র, নাম শাহাদাত হোসেন বাবলু ও শাহরিয়ার হোসেন সিফাত। একজন সদ্য হাফেজ হলেন, অন্যজন জেএসসির ফলাফল প্রত্যাশী। আছে মেজ ভাইয়ের বড়ছেলে সাকিব হোসেন বাবু, ওয়ার্কশপে কাজ করে। আছেন সেজু ভাইসহ তাঁর স্ত্রী ও পুত্র। আরো আছেন হুমায়ূন কবির, চবি থেকে সদ্য অনার্স-মাস্টার্স পাস করা।

দেড়টা নাগাদ চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে বাস ছেড়ে রাঙ্গামাটি ফিশারি বাস টার্মিনাল আসতে প্রায় দুই ঘন্টা সময় লাগে। সাড়ে তিনটায় আমরা পৌঁছায়।

এসেই শুনি, যে উদ্দেশ্যে আসা সেখানে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে রাত দশটা পর্যন্ত। সময় অপচয় না করে বড় ভাই ছাড়া আমরা সবাই চলে গেলাম রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত ব্রিজে। ঝুলন্ত ব্রিজে প্রবেশ ফি নিল জন প্রতি ৩০টাকা।

বাস টার্মিনাল থেকে সিএনজি যোগে সেখানে পৌঁছতে প্রায় সাড়ে চারটা বেজে যায়, ফলে এক ঘন্টার মতো ঘুরাঘুরির সুযোগ হয়েছে।

আমি রাঙ্গামাটি এসেছি অনেক আগে। সেই স্কুলে পড়ার সময়ে। আসার সুযোগ থাকলেও ব্যস্ততার কারণে আসা হয় নি।

বরাবরই রাঙ্গামাটি অনেক সুন্দর জায়গা। এখানকার লেকগুলো মোহিত করে আমাকে। সময় কম থাকাতে নৌকা নিয়ে ঘুরা হয় নি।

ঝুলন্ত ব্রীজের সন্ধ্যার সৌন্দর্য অসাধারণ। সূর্য ডুবার দৃশ্য মনোমুগ্ধকর। শীতকাল, তাছাড়া পৃথিবীতে আজকের দিনটাও খুব ছোট। কোন্ সময় সন্ধ্যা হয়ে গেল বুঝলাম না। টার্মিনাল থেকে যেতে লাগল জনপ্রতি ২০ টাকা করে, আসতেও ঠিক একই খরচ। এসে হালকা নাস্তা করলাম।

আমরা সব সময় ভাইয়ের গাড়িতেই অবস্থান করছি। রাত দশটায় বরকল অন্তর্ভুক্ত সুবলং বাজারে অবস্থিত শহীদ হযরত শাহসুফী ধনা মিয়া মামা (রা.) মাজারের উদ্দেশ্যে জাহাজ ছেড়ে যাবে। জাহাজ প্রায় ৫০০-৬০০ জন যাত্রী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন।

জাহাজে বসে আছি। পরিপূর্ণ জাহাজ। দুই তলা বিশিষ্ট জাহাজ। জানা যায়, গন্তব্যে পৌঁছাতে দেড় ঘন্টা সময় লাগবে। সম্ভবত দশটার আগে ছেড়ে যাবে।

(চলবে….)

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ