শিরোনাম
নিংশ্বাসের বন্ধু’র প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রামে ১৬-১৭ জুন থিয়েটার থেরাপি প্রয়োগ বিষয়ক রিফ্রেশার্স ট্রেনিং চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৮০০ পিস আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১২:২৯ অপরাহ্ন

সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চাইল বিজিএমইএ

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৪৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১

ঢাকা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আবারো তৈরি পোশাক শিল্পকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভাইরাসের প্রভাব মোকাবেলা করে পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে বিজিএমইএ।

এ লক্ষ্যে রোববার (৬ জুন) বিকালে বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসানের নেতৃত্বে বিজিএমইএ এর একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে গভর্ণর ফজলে কবিরের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম মান্নান (কচি), সহ-সভাপতি মো. শাহিদউল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক আসিফ আশরাফ ও মো. খসরু চৌধুরী এবং সাবেক পরিচালক মো. মুনির হোসেন।

এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর আহমেদ জামাল ও কাজী ছাইদুর রহমান ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগনও উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনাকালে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘করোনা মহামারিতে পোশাক শিল্প একটি ক্রান্তিলগ্ন অতিক্রম করছে। এ অবস্থায় পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তাগণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। উদ্যোক্তারা মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে পোশাক শিল্প সংক্রান্ত ইস্যুগুলো সহজীকরণের উদ্যোগ নেয়া হলে, তা শিল্পকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করবে।’

বিজিএমইএ’র সভাপতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যে সহযোগিতাগুলো চেয়েছেন, সেগুলো হল-

পোশাক শিল্পখাতকে এ সংকটময় সময়ে টিকিয়ে রাখার জন্য আংশিক রপ্তানি মূল্য অপ্রত্যাবাসিত থাকলে অন্য প্রত্যাবাসিত রপ্তানিমূল্যের বিপরীতে রপ্তানি ভর্তুকি/নগদ সহায়তার আবেদন গ্রহণ পূর্বক প্রক্রিয়াকরণ করা এবং ২০১৭ সালের ১৬ আগস্টের এফই সার্কুলারের (নম্বর-৩০) কার্যকারিতা আগামী ছয় মাস পর্যন্ত স্থগিত রাখা।

ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকের বন্ডেড ওয়্যার হাউজ লাইসেন্স এবং আইআরসি দাখিলের জন্য চাপ সৃষ্টি না করার জন্য সব তফসিলি ব্যাংকের অনুকূলে নির্দেশনা জারী করা।

বৈদেশিক বানিজ্য লেনদেনের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মূদ্রা বিধি শিথিলকরণ বিষয়ে জারীকৃত সার্কুলারের মেয়াদ আরো ৬ মাস বৃদ্ধি করা।

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের স্বার্থে তারল্য সংকট নিরসনের লক্ষ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা প্রদানের জন্য গত ২৭ জানুয়ারির এফই সার্কুলারের (নম্বর-৫) মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা।

শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য আর্থিক প্রণোদনা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় প্রদত্ত ঋণ পরিশোধের সময়কাল ২ বছরের পরিবর্তে ৫ বছর করা।

রপ্তানিকারকদের জন্য ব্যাংকিং সংক্রান্ত একটি বিশেষ আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা করা, যার মাধ্যমে রপ্তানিকারকগণ দেউলিয়া হয়ে যাওয়া ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের বাতিল/অনিশ্চিত হয়ে যাওয়া রপ্তানি কার্যাদেশ বা পেমেন্টের বিপরীতে ব্যাক টু ব্যাক এলসির দায়-দেনা পরিশোধ সংক্রান্ত অনাকাঙ্খিত ঘটনা থেকে আইনগতভাবে সুরক্ষা পাবেন।

পোশাক শিল্পের তারল্য সংকট নিরসনে সহায়তা ও রপ্তানি সক্ষমতা বজায় রাখতে প্যাকিং ক্রেডিটের বিপরীতে সুদের হার ৭ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা।

করোনা ভাইরাসের অতিমারী সময়ে রপ্তানিমূখী তৈরি পোশাক খাতকে টিকিয়ে রাখতে ইডিএফ ফান্ডের সুদের হার ২ শতাংশ হতে হ্রাস করে ১ দশমিক ৫ শতাংশ করা এবং একক ঋণ গ্রহীতার সীমা ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত প্রদানের সুবিধার মেয়াদ আগামী গত ৩০ জুন হতে বৃদ্ধি করে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা।

করোনাজনিত কারণে ঋণ শ্রেণীকরণের সময়সীমা বৃদ্ধি করা।

সভায় পোশাক শিল্পখাতে ১৩৩টি রুগ্ন শিল্পের পূনর্বাসনে নীতিগত সহায়তা প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে পুনর্বার অনুরোধ জানানো হয়।

ফজলে কবির বলেন, ‘পোশাক শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ শিল্পকে সম্ভাব্য সব সহযোগিতা প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুত রয়েছে।’

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘বিজিএমইএ সভাপতির প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে যেগুলো যৌক্তিক, সেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করবে। আর যেগুলো বিষয়ে আদেশ জারী করা সম্ভব হবে, সে সব বিষয়ে আদেশ জারীর জন্য ব্যাংক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।’

নিউজ রিলিজ

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ