মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৪:২৬ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনার সরকার অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : সোমবার, ২৯ মার্চ, ২০২১
  • ১৬৫ Time View

ঢাকা: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেবের সোমবারের বক্তব্য প্রমাণ করে, নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা তাদের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।’

সোমবার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময়ের শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদের নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ জিহাদুর রহমান জিহাদ, প্রচার সম্পাদক আছাদুজ্জামান, নির্বাহী সদস্য সুরাইয়া অনু, রাজন ভট্টাচার্য্য, হেমায়েত হোসেন প্রমুখ মতবিনিময়ে অংশ নেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন রোববার হরতাল শেষ হয়ে যাওয়ার পর নারায়ণগঞ্জে নয়টি বাস-ট্রাকে আগুন দেয়া হয়েছে। রাস্তার ওপর দেয়াল তুলে দেয়া হয়েছে। এগুলোর পক্ষ নিয়েছে বিএনপি এবং তাদের তথাকথিত কয়েক জন বুদ্ধিজীবী, যাদের বুদ্ধিজীবী বলতে আমার লজ্জা হচ্ছে, তারাও বিবৃতি দিয়েছে। এর আগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে জনগণের ও সরকারি সম্পত্তির ওপর হামলা আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের ওপর হামলারই সামিল, যেটিতে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি-জামাত। একই সাথে সুর মিলিয়ে আজকে যখন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব বলেন যে, তারা সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দিবেন, তখন এ সমস্ত নৈরাজ্যগুলো তাদের পরামর্শে ও পৃষ্ঠপোষকতায় হয়েছে, এটিই প্রমাণিত হয়।’

‘২০১৩, ১৪, ১৫ সালে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী বিএনপি-জামাতই ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে এবং আজ হেফাজতের ব্যানারে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে; তাদেরও পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে’ উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এগুলো নরেন্দ্র মোদির আগমনের কারণে করা হয়নি, বরং সরকার বিরোধী, রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্যই এগুলো করা হয়েছে।’

আমরা ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে এর চেয়েও বেশি নৈরাজ্য মোকাবিলা করে দেশে শান্তি, স্থিতি স্থাপন করেছি, আমরা এবারও এ ধরণের ঘটনা যারা ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করতে বদ্ধপরিকর, প্রত্যয় ব্যক্ত করে তথ্য মন্ত্রী বলেন, ‌আজকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার সরকার অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী, আত্মপ্রত্যয়ী এবং মির্জা ফখরুল সাহেব যে স্বপ্ন দেখছেন, সেই স্বপ্ন কখনো বাস্তবায়ন হবে না।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা উত্থাপন করা হলে মন্ত্রী বলেন, ‘পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় কোন সাংবাদিক হামলা এটি দুঃখজনক, অনভিপ্রেত, অগ্রহণযোগ্য ও নিন্দনীয়। কারণ কোন ঘটনা ঘটলে সেটি গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য জনগণকে জানানোর জন্য সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালন করবে এটিই স্বাভাবিক। এ ক্ষেত্রে আমি সব রাজনৈতিক দল, সমস্ত পক্ষকে অনুরোধ জানাবো পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় যেন কোনো সাংবাদিক নিগৃহীত না হয়, কোনো সাংবাদিকের ওপর হামলা না হয়।’

তথ্য মন্ত্রী বলেন, ‌আমরা দেখেছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা করা হয়েছে এবং দেশের অন্য জায়গাতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ যারা পুরো দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, করেছে, তারাই এ হামলাগুলো পরিচালনা করেছে। অতীতেও ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে আমরা দেখেছি একই গোষ্ঠী সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেছে। বায়তুল মোকারমে যদি কোন ঘটনা ঘটে থাকে; সে ক্ষেত্রে আমরা নিশ্চয়ই দলের পক্ষ থেকে সেটি খতিয়ে দেখবো; কেউ যুক্ত আছেন কি না, যদি থাকে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রেস বার্তা

Share This Post

আরও পড়ুন