মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

শুধু সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা কখনো ব্যক্তির ভাগ্য পরিবর্তন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে না

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯ Time View

চট্টগ্রাম: প্রান্তিক শ্রেণীর জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত না করা পর্যন্ত কখনো অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্য পূরণ হবে না মনে করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী

তিনি বলেছেন, ‘চীনের মত সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার একটি দেশ সকলকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করেছে বলেই তারা এখন উন্নত দেশের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। আমাদেরকে এ পথে এগুতে হলে প্রান্তিক শ্রেণির বিনিয়োগকৃত শ্রমকে প্রযুক্তির সমন্বয়ে দক্ষতায় সমৃদ্ধ করতে হবে।’

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পাহাড়তলী আমবাগানস্থ ইউসেপ কার্যালয়ে এলআইইউপিসি এবং ইউএনডিপি আয়োজিত ৬০০ জন শিক্ষানবীশের দক্ষতা বৃদ্ধি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র এসব কথা বলেন।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো. সরোয়ার হোসেন খান, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, ইউসেপের আঞ্চলিক ম্যানেজার জয় প্রকাশ বড়ুয়া, মো. আকরাম হোসেন সবুজ, এলআইইউপিসির মোহাম্মদ হানিফ, কোহিনুর আক্তার, প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের মধ্যে আসমা আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল করিম আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের বহু জনসম্পদ বিদেশে কর্মরত এবং আয় করে বড় অংকের রেমিটেন্স যোগান দিচ্ছে। এ রেমিটেন্স বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনের বড় অবলম্বন। তবে প্রতিবেশি দেশের তুলনায় বিদেশে নিয়োজিত আমাদের মানব সম্পদের বড় অংশই অদক্ষ। তারা যদি দক্ষ হতেন তাহলে রেমিটেন্স সরবরাহের পাইপ লাইন অধিকতর সমৃদ্ধ হত এবং ইতিবাচক প্রভাব পড়ত জাতীয় অর্থনীতিতে।’

তিনি প্রথাগত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ‘শুধু সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা কখনো ব্যক্তির ভাগ্য পরিবর্তন এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে না। তাই প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় বৃত্তিমূলক প্রযুক্তি চর্চা এবং স্ব স্ব ক্ষেত্রে দক্ষতাসূচক পাঠক্রমের সংযোজন অতীব প্রয়োজন।’

এলআইইউপিসির প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ১৯টি ট্রেডে এক হাজার ৭১০জন শিক্ষানবীশকে সহায়তা দেয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন মেয়র।

মো. শহীদুল আলম বলেন, ‘৬০ জন শিক্ষানবীশের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হল। প্রশিক্ষণ দেয়ার ফলে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে বিদ্যমান শ্রমিকদের ঘাটতি পূরণ, নারী-পুরুষের দক্ষতা ও নারীর ক্ষমতায়ন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি করোনা মহামারী সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

Share This Post

আরও পড়ুন