শিরোনাম
মারা গেলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা বন্ধকালীন দশ উপজেলায় এক হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‌‌‌‌‌এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি: বিদ্যায়তনিক পাঠ ও গণ প্রয়োগ কবিতা: আছি সেই সুদিনের অপেক্ষাতে । শ্রাবন্তী বড়ুয়া করোনার চিকিৎসায় পাহাড়তলীতে সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন মাছ আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য ৩১ হাজার মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ রমজানে রোগবালাই ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে উড়িরচরে সীমানা পিলার স্থাপনের প্রতিবাদ সন্দ্বীপবাসীর মাউন্টেন ভ্যালির আইভেক্টোসল ও আইভোমেকের প্রথম ধাপের ট্রায়াল শুরু এল রহমতের মাস মাহে রমজান
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

শিক্ষিত ও সচেতন মানুষকেও মাস্কবিহীন দেখে অবাক চট্টগ্রামের ভ্রাম্যমাণ আদালত!

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রাম: করোনার সম্ভাব্য সেকেন্ড ওয়েভকে সামনে রেখে মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। এরপরও অনেকেই অবহেলা করে মাস্ক পরিধান না করে জনাকীর্ণ এলাকায় ঘোরাঘুরি করে স্বাস্থ্য বিধি লঙ্ঘন করছে। যার ফলে এরা নিজেকে ও অন্যদেরকেও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। শিক্ষিত ও সচেতন মানুষকেও মাস্কবিহীন দেখে অবাক হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

করোনা দ্বিতীয় ঢেউ থেকে জনগণকে রক্ষা করতে সবার মুখে মাস্ক পরা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে শুক্রবার (২০ নভেম্বর) দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

এ সময় মুখে মাস্ক না পরায় মোট ৪২টি মামলায় ৫০ জনকে মোট পাঁচ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর মধ্যে ফয়’স লেক ও চিড়িয়াখানা এলাকায় ১৯টি মামলায় ২৭ জনকে দুই হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আলী হাসান।

শিশু পার্ক, ডিসি হিল ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় ১৩টি মামলায় ১৩ জনকে দুই হাজার ১৫০ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারজান হোসাইন।

পতেঙ্গা সী বীচ এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিল্লুর রহমান ১০টি মামলায় ১০ জনকে ৮৫০ টাকা জরিমানা করেন।

এ নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলী হাসান বলেন, ‘বিভিন্ন পেশার মানুষ দোকানদার, চাকুরিজীবী, ড্রাইভার, যাত্রী, পথচারী এমনকি শিক্ষিত ও সচেতন মানুষও মাস্ক পরিধানে অবহেলা ও অবজ্ঞা করছে। এটি অবাক এবং আশ্চর্যের বিষয়! কারণ তারা সম্ভাব্য সব ধরনের বিপদ জেনেও মাস্ক পরতে অনীহা ও উদাসীন।’

একই কথা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমানেরও। ‘অনেকেই অবহেলা করে মাস্ক না পরে পকেটে রাখেন। ম্যাজিস্ট্রেট দেখলে মাস্ক পকেট থেকে দ্রুত মুখে লাগায়।’

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ