শিরোনাম
পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৮০০ পিস আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম’র আইটি বিশেষজ্ঞ গ্রেফতার চট্টগ্রামে সাদার্ন ইউনিভার্সিটিতে দুই মাসব্যাপী আন্তঃবিভাগ বির্তক প্রতিযোগিতা শুরু নাভানাসহ সীতাকুণ্ডের সব কারখানায় ঈদুল আজহার আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দাবি পরিবেশ বিষয়ক গল্প : মন পড়ে রয় । নাজিম হোসেন শেখ পিএইচপি অটো মোবাইলসের তৈরি অ্যাম্বুলেন্স উপহার পেল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সোতোকান কারাতে স্কুল চট্টগ্রামের কারাতে বেল্ট প্রতিযোগিতা সম্পন্ন
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

শাস্তি হয়নি বলেই রানা প্লাজা হত্যাযজ্ঞের পরেও কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হয়নি

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১

চট্টগ্রাম: রানা প্লাজা ট্রাজেডির আট বছর স্মরণে ২৪ এপ্রিলকে গার্মেন্টস শ্রমিক শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা, নিহত শ্রমিকদের আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত ও আহত-পঙ্গু শ্রমিকদের পুনর্বাসন, শ্রমিক ছাটাই বন্ধ, বিধি-নিধেষের সময় সব শ্রমিকদের রেশন-নগদ টাকা প্রদানসহ বিভিন্ন দাবিতে সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট চট্টগ্রাম জেলা।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেট মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মহিন উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলার আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন কবির, সদস্য সচিব আকরাম হোসেন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নগর শাখার সভাপতি রায়হান উদ্দিন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘আট বছর আগে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে অবহেলাজনিত কারণে সংগঠিত শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ কাঠামোগত হত্যাকান্ড অর্থাৎ রানাপ্লাজা ভবন ধ্বসে এগারো শতাধিক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু, তিন শতাধিক শ্রমিক নিখোঁজ এবং প্রায় তিন হাজারের মত শ্রমিক মারাত্মকভাবে আহত হয়। কিন্তু দীর্ঘ আট বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও যেই মুনাফালোভীদের অবহেলায় এ ভয়াল ট্রাজেডি, তাদের বিচার আজও সম্পন্ন হয়নি, শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি। নিহত আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ-পুনর্বাসনের আশ্বাস দেয়া হলেও আজও তা নিশ্চিত করা হয়নি। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি বলেই রানা প্লাজা হত্যাযজ্ঞের পরেও কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের মৃত্যুর মিছিল বন্ধ করা যায়নি। শত-শত শ্রমিকের জীবনের বিনিময়েও মালিকদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা সৃষ্টি করার মত আইন প্রণিত হয়নি। এর ফলে আমরা দেখলাম বাশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিক্ষোভ উপেক্ষা করে তাদের উপর কিভাবে পুলিশ দিয়ে গুলি চালিয়ে সাতজন শ্রমিককে নির্মমভাবে হত্যা ও অসংখ্য শ্রমিককে আহত করা হলো।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘আজ এ করোনা দুর্যোগের সময় একইভাবে শ্রমিকের জীবন মালিকদের কাছে মূল্যহীন বলেই শ্রমিকের খাদ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব নেওয়ার পরিবর্তে কারখানা লে-অফ করে, ছাঁটাই করে শ্রমিকদের মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। এক দিকে অপরিকল্পিত বিধি-নিষেধ চলছে, অন্য দিকে বিধা-নিষেধের মধ্যে শ্রমিকের খাদ্য ও আয়ের নিশ্চয়তা না দেয়ার মাধ্যমে সরকারের চরম দায়সারা মনোভাব আমরা লক্ষ্য করছি।’

নেতৃবৃন্দ দ্রুক ২৪ এপ্রিলকে রানা প্লাজা দিবস হিসেবে ঘোষণ করে রানা প্লাজাসহ বাশখালীতে নিহত-আহত সব শ্রমিকদের আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

প্রেস বার্তা

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ