শিরোনাম
মারা গেলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা বন্ধকালীন দশ উপজেলায় এক হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‌‌‌‌‌এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি: বিদ্যায়তনিক পাঠ ও গণ প্রয়োগ কবিতা: আছি সেই সুদিনের অপেক্ষাতে । শ্রাবন্তী বড়ুয়া করোনার চিকিৎসায় পাহাড়তলীতে সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন মাছ আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য ৩১ হাজার মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ রমজানে রোগবালাই ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে উড়িরচরে সীমানা পিলার স্থাপনের প্রতিবাদ সন্দ্বীপবাসীর মাউন্টেন ভ্যালির আইভেক্টোসল ও আইভোমেকের প্রথম ধাপের ট্রায়াল শুরু এল রহমতের মাস মাহে রমজান
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন

রিপোর্টাররা সংবাদ মাধ্যমের প্রাণ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম / ৮৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০

ঢাকা (১০ নভেম্বর): ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘সংবাদপত্র জাতির নেতৃত্ব দেয় আর রিপোর্টাররা সংবাদমাধ্যমের প্রাণ। প্রযুক্তির অভাবনীয় পরিবর্তনে সংবাদ প্রকাশের প্রচলিত মাধ্যমসমূহের পরিবর্তন হলেও সাংবাদিকদের প্রয়োজনীয়তা শেষ হবে না। আগামীদিনের রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডিজিটাল যুগের উপযোগী গণমাধ্যম প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্য প্রযুক্তির অবাধ সুযোগ তৈরি করা অপরিহার্য।’

মন্ত্রী মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে মন্ত্রীর উদ্যোগে বিটিসিএল প্রদত্ত ফ্রি ওয়াই ফাই জোনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন।

দেশে আশির দশকে কম্পিউটারে পত্রিকা এবং প্রথম অনলাইন বাংলা সংবাদ সংস্থা প্রকাশনার জনক মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘যাত্রার শুরুতে কাজ করতে করতে প্রযুক্তি শেখানো হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তি শিখিয়ে দিতে হয় না। তাদেরকে একটু গাইড করতে পারলেই তারা সহজেই প্রযুক্তি আয়ত্তে আনতে সক্ষম হয়।’

মন্ত্রী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিকে উপযোগী প্রশিক্ষণ-সহ সম্ভাব্য সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করে বলেন, ‘সাংবাদিক সমাজ হচ্ছে সবচেয়ে অগ্রসরমান সমাজ। তারা মানুষকে আলোর পথ দেখান, সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখেন। তাদেরকে সহযোগিতা করতে প্রত্যেককেই এগিয়ে আসতে হবে।’

মন্ত্রী বিটিসিএলকে জনবান্ধব এবং আধুনিকায়নে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, ‘প্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিটিসিএলকে বহুমাত্রিক ডিজিটাল প্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। মানুষ খুব সহসাই এর ব্যাপক সুফল পাবেন।’

বক্তারা রিপোর্টারদের জন্য ফ্রি ওয়াই ফাই জোন প্রতিষ্ঠাকে সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষতার জন্য সরকারি সহযোগিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা আশির দশকে সাংবাদিকদের কম্পিউটার শেখানো এবং কম্পিউটারে পত্রিকা প্রকাশে মন্ত্রীর অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তারা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির জন্য একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠায় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুর মতিন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, আইএসপিএবির সভাপতি এমএ হাকিম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি নজরুল কবির, বিটিসিএলের জিএম মির মোর্শেদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

পরে মন্ত্রী ৫০ এমবিপিএস ক্ষমতাসম্পন্ন বিটিসিএলের ফ্রি ওয়াই ফাই জোন উদ্বোধন করেন।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ