বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন

যুব সমাজকে তামাকের ভয়াবহতা থেকে বাচাঁতে তামাক আইন সংশোধন জরুরী

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ২২ Time View

তামাকমুক্ত দেশ গড়তে এবং যুব সমাজকে তামাকের ভয়াবহতা থেকে বাচাঁতে সব ধরনের তামাকপণ্যের সহজলভ্যতা কমানো দরকার। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন অব দি রুরাল পুয়র’র (ডর্‌প) উদ্যোগে বুধবার (২৮ জুলাই) সকালে ভার্চুয়াল বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মো. আজহারুল ইসলাম খান বলেন, ‘জাতীয় যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষন মডিউলে তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; যাতে করে যুব সমাজ তামাক ব্যবহারে নিরোৎসাহিত হয়। ১৯৭১ এ জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে যুবরা এগিয়ে এসেছিল বলেই এ দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। তেমনি তামাক নিয়ন্ত্রণেও যুবরা এগিয়ে আসলে বাংলাদেশ আবারো সফলতা লাভ করবে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর তামাক নিয়ন্ত্রণে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করবে এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে নীতি নির্ধারক পর্যায়ে জোর দাবি তুলে ধরবে।’

স্বাগত বক্তব্যে ডর্‌প এর উপ-নির্বাহী প্রধান মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান হাসান বাংলাদেশে তামাক নিয়ন্ত্রণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে এ দেশের যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে এবং যুবরাই পারবে তামাকের বিরুদ্ধে শক্তিশালি অবস্থান তৈরি করতে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ রিসোর্স ইম্প্রুভমেন্ট ট্রাস্টের (ব্রিট) চেয়ারম্যান গোলাম মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘তামাক নিইয়ন্ত্রণে শুধু আইনের সংশোধন করলেই হবে না; একই সাথে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সঠিক প্রয়োগ করাও জরুরী।’

ডেভেলপমেন্ট জার্নালিষ্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের সেক্রেটারি আরিফুর রহমান বলেন, ‘তামাক কোম্পানির সিএসআর কার্যক্রমে যুবরা তামাক ব্যবহারে উৎসাহিত হয়।’ তামাক নিয়ন্ত্রণে তামাক আইন সংশোধন করে তামাক কোম্পানির সিএসআর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের (সিটিএফকে) গ্রান্টস ম্যানেজার আব্দুস সালাম বলেন, ‘তামাক একটি সামাজিক ব্যাধি। তামাক নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের কোন বিকল্প নেই। ২০১৩ সালে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন এখনো সংশোধনের সুযোগ রয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সংশোধনের পর্যায়ে রয়েছে।’

কর্মশালা পরিচালনা করেন ডরপের টোব্যাকো কন্ট্রোল প্রজেক্টর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর রুবিনা ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন ডর্‌প’র চেয়ার‌ম্যান মো. আজহার আলী তালুকদার। তিনি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের ছয়টি ধারার দুর্বলতা তুলে ধরেন এবং একই সাথে এ আইনের ছয়টি ধারার প্রস্তাবিত সংশোধনী আলোচনা করেন।

Share This Post

আরও পড়ুন