মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন

যুগে যুগে ম্যারাডোনারা এক বারই আসে; দিয়ে যায় দুই হাত ভরে

নুরুন্নবী নুর / ৪৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০

নুরুন্নবী নুর: নব্বই দশকের পর যাদের জন্ম, তাদের কাছে ম্যারাডোনা-পেলে নামগুলো বেশ পরিচিত। তবে তাঁদের খেলা সরাসরি টিভি পর্দায় দেখার সুযোগ হয়নি এদের। ম্যারাডোনার কথাই বলছি, একজন মানুষ ফুটবল মাঠে দিয়ে যাওয়া জাদুকরী নৈপূণ্যের কারণে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে বলা বাহুল্য।

মানুষের কাছে ম্যারাডোনার নামটি শুনতে শুনতে বড় হয়েছি এবং একজন তারকা ভাবতে শুরু করেছি, সেই ছোটবেলা থেকে। আমি পুরোদমে ব্রাজিল সমর্থক। তারপরও মানুষটিতে খুব মনে পড়ছে। তাঁর খেলাগুলো হাইলাইটস দেখেছি বেশি। দেখেই সম্মানটা বেড়ে যেত। আসলেই কিংবদন্তি প্লেয়ার ছিলেন ম্যারাডোনা।

আর্জেটাইন প্লেয়ার ডিয়েগো ম্যারাডোনা। অনেকের মতে, ছিয়াশি বিশ্বকাপজয়ী নায়ক ছিলেন। ভালো খেলোয়াড় ছিলেন। অনুসরণ, অনুকরণ করার মতোন মানুষ ছিলেন। অবশ্যই ব্যক্তিগত জীবনকে নয়! ব্যক্তিগত জীবন একটু নড়বড়ে ছিলে, সে জন্য সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারত না। আলোচনা-সমালোচনা লেগেই থাকত। আমার কাছে বিষয়টি বাড়াবাড়ির পর্যায়ে ছিলো।

আমার দিক হয় তো এক রকম। তাঁর দিক থেকে অন্য রকমও হতে পারে। তবে তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনকে স্যলুট করি। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সব সময়। তিনি ফুটবল বিশ্বকে যা দিয়ে গেছেন, তা অমূল্য। যুগে যুগে ম্যারাডোনারা, একবারই আসে। দিয়ে যায়, দু’হাত ভরে।

ম্যারাডোনা চলে যাওয়াটা আমার কাছে রক্ত ক্ষরণের মতোন। মাত্র ষাট বছর বেঁচেছিলেন। জীবনটাকে ভিন্নপথে না নিয়ে গেলে, তিনি আমাদের মাঝে আরও অনেক বছর থাকতে পারতেন।

মোট কথা হল, আপনি ব্যক্তিগতভাবে যেমনই হোক, ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে ফুটবলের ঈশ্বরই ছিলেন। আমরা ফুটবল প্রেমীরা ফুটবল বিশ্বের একজন অভিভাবক হারালাম।

ফুটবল বিশ্ব আপনাকে কতটা মূল্যায়ন করেছে জানি না, তবে আপনার জায়গাটা আমরা আরও উঁচু আসনে ভাবতাম। সেই ভাবনাটার অন্ত না দেখতেই, আপনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। মনের মধ্যে কষ্টটা থেকেই গেল।

ওপারে ভালো থাকবেন। কর্ম দিয়ে আপনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ