শিরোনাম
মারা গেলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা বন্ধকালীন দশ উপজেলায় এক হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‌‌‌‌‌এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি: বিদ্যায়তনিক পাঠ ও গণ প্রয়োগ কবিতা: আছি সেই সুদিনের অপেক্ষাতে । শ্রাবন্তী বড়ুয়া করোনার চিকিৎসায় পাহাড়তলীতে সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন মাছ আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য ৩১ হাজার মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ রমজানে রোগবালাই ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে উড়িরচরে সীমানা পিলার স্থাপনের প্রতিবাদ সন্দ্বীপবাসীর মাউন্টেন ভ্যালির আইভেক্টোসল ও আইভোমেকের প্রথম ধাপের ট্রায়াল শুরু এল রহমতের মাস মাহে রমজান
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন

‘যদি আমাদের শহরটিও এমন হতো’!

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ঢাকা: ঢাকা শহরের পয়োঃবর্জ্য খাল ও লেকে ফেলা বন্ধ করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

একই সাথে শুধু মানুষের প্রতি ভালবাসা নয়, নিজের শহরকে ভালোবাসারও আহ্বান জানান মন্ত্রী।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ভালবাসা দিবস একদিন, শহরকে ভালবাসি প্রতিদিন’ প্রতিপাদ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এ আহ্বান জানান।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘রাজধানীর অধিকাংশ পয়োঃবর্জ্য খালে ও লেকে ফেলা হয়। এটি দ্রুত বন্ধ করতে হবে।’

এ পয়োঃবর্জ্যের লাইন কিভাবে বন্ধ করা যায়, সে বিষয়ে পরিকল্পনা করার পাশাাপাশি একটা টাইমলাইন নির্ধারণ এবং একটি কমিটি গঠন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

‘শুধু মানুষকে ভালবাসলে হবে না, আমরা যে শহরে বসবাস করি সে শহরকে ভালবাসার পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশকে ভালবাসতে হবে। নিজের আবাসস্থল, চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা না ফেলে শহরের প্রতি ভালোবাসার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘুরতে গিয়ে অনেক সুন্দর নগরী দেখি তখন স্বাভাবিকভাবে মনে হয় যদি আমাদের শহরটিও এমন হতো’।

তিনি বলেন, ‘তাদের শহর সুন্দর শুধু সরকার বা সিটি কর্পোরেশন করেনি। সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিলো বলেই সম্ভব হয়েছে। সবার স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকলেই কেবল ঢাকা নগরীকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।’

তিনি জানান, ঢাকা শহরকে স্যুয়ারেজের আওতায় নিয়ে আসতে পাঁচটি পয়োঃশোধনাগার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে দাশেরকান্দি প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। এছাড়া অন্য প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এগুলোর কাজ শেষ হলে পুরো ঢাকা শহরের পয়োঃশোধনাগার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

ঢাকা ওয়াসার নিকট থেকে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ও খালের দায়িত্ব দুই সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন রাজধানীতে যে সব লেক আছে, সেগুলো সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তরের দাবি আসছে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান তিনি।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

এছাড়া, কর্মশালায় রাজউক, ঢাকা ওয়াসা, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি এবং এনজিও প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

নিউজ রিলিজ

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ