ঢাকাবৃহস্পতিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুক্তিযুদ্ধকালে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাদের ভূমিকা নিয়ে শাহাদাতের প্রশ্ন

পরম বাংলাদেশ
মার্চ ২৪, ২০২১ ৪:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রাম: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাদের ভুমিকা কি ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চট্টগ্রাম বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেছেন, ‘তাদের প্রোপ্রাইল দেখে তাদের নামের আগে ও পিছনে মুক্তিযুদ্ধে কি খেতাব অর্জন করেছে, তা জাতি জানে। মূলত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামের পিছনে বীর উত্তম খেতাব, নামের আগে সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষকের খ্যাতি থাকায় এটা আওয়ামী লীগের মূল সমস্যা।’

বুধবার (২৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সমাপনি দিনে সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে শাহাদাত হোসেন এসব কথা বলেন ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘১৯৭০ সালে আওয়ামীগ যে বিজয় পেয়েছিল, সেই ৭০ সালেও পূর্ব পাকিস্তানিরা রক্তচুক্ষ অপেক্ষা করে পশ্চিম পাকিস্তানীদের পরাজিত করেছিল ভোট মাধ্যমে। আজকে এ সরকার মানুষের ভোটাদিকার ধ্বংস করে দিয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমরা আমাদের ভোটের অধিকার হারিয়েছে। আজকে স্বাধীনতার ৫০ বছরের সুবর্ণ জয়ন্তী পালনে দেশে দুই রকম আইন জারি কেন? যখন মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়, তখন এ আওয়ামীলীগের নেতারা কোথায় ছিল? কোন সেক্টর থেকে সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিল, তা জাতি জানতে চাই।’

বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর বলেন, ‘চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। এ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র সে দিন যাদের কাছ থেকে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার ডাক আশা করেছিল, তাদেরকে সে দিন বাংলাদেশের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা সকলেই পালিয়ে গিয়েছিল। আরো কিছু পালিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছিল। ওই দিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ডাক না দিতেন, স্বশস্ত্র যুদ্ধ বাংলাদেশের জন্ম হত না।’

প্রধান বক্তা একরামুল করিম বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়ার খেতাম যারা মুছে ফেলতে চাই, তারা কি বললেই তা মুছে ফেলতে পারবে? কোন দিনও পারবে না? কারণ সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তর, স্বাধীনতার ঘোষক উপাধিটা এমনে এমনে অর্জন করেনি। ৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি প্রথম পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে বিদ্রোহ করেন এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার সেই আওয়াজটি বাংলার মানুষের কানে বেজে উঠেন। মূলত সেই ঘোষণার মধ্যদিয়ে রণাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধারা ঝাপিয়ে পড়েন। তারপর আর কেউ তো এ স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেনি বা ঘোষণা দেননি।

সংগঠনের আহবায়ক মোস্তাফা আলম মাসুমের সভাপতিত্বে ও লায়ন আনোয়ার হোসেন উজ্জলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সাংসদ বেগম নুরী আরা ছাফা, সাংবাদিক জাহেদুল করিম কচি।

প্রেস বার্তা

Facebook Comments Box