বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৯:১০ অপরাহ্ন

মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দিতে প্রতি জেলায় টেস্টিং ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে

পরম বাংলাদেশ প্রতিবেদন / ৭০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

ঢাকা (২ ডিসেম্বর): মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দিতে প্রতি জেলায় টেস্টিং ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘পৌর এলাকার পাশাপাশি গ্রাম অঞ্চলে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করার লক্ষ্যে অনেক মেগা প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হচ্ছে। সরকার পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভূ-উপরিস্থ পানি বা সারফেস ওয়াটারের ব্যবহার প্রাধান্য দিচ্ছে।’

তিনি বুধবার (২ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষ থেকে সকলের জন্য স্যানিটেশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে সরকারি উদ্যোগ আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এশীয় ও প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সংশ্লিষ্ট সেক্টরের মন্ত্রী ও অর্থ মন্ত্রীগণের সাথে ভার্চুয়াল সভায় যোগ দিয়ে এ সব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীআরো বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের টেকসই ব্যবস্থাপনা ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।’

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) নিরাপদ পানি এবং স্যানিটেশন সংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ১ এবং ৬ দশমিক ২ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পূরণ হবে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি’র ৬ দশমিক ১ এবং ৬ দশমিক ২ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে দেশে ৯ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ইউএস ডলার প্রয়োজন। বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে এ কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার এবং বেসরকারী খাত থেকে প্রায় ১৩০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তার অঙ্গীকার পাওয়া গেছে।’

ওয়াটার, স্যানিটেশন খাতে সরকারের বার্ষিক বরাদ্দ প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধিপূর্বক এই সেক্টরে বর্তমান বাজেট গ্যাপ অর্ধেকে নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘২০২২ সালের মধ্যে আর্সেনিক দূষণ আক্রান্ত এলাকার প্রায় ২০ লাখ জনগণকে আর্সেনিক দূষণমুক্ত নিরাপদ পানি সরবরাহের আওতায় এবং নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনা ৫ শতাংশ বৃদ্ধি ও ৭৫ শতাংশ জনগণকে বেসিক স্যানিটেশন কভারেজ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।’

সভায় আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, ভারত, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, লাওস, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মিনারমার, পাকিস্তান, ভূটানসহ এশীয় অঞ্চল দেশের মন্ত্রী এবং উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিনিধিগণ অংশ গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, সবার জন্য স্যানিটেশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে এশীয় ও প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সংশ্লিষ্ট সেক্টরের মন্ত্রী ও অর্থ মন্ত্রীগণের অংশগ্রহণে প্রতি দুই বছর পর পর বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কোভিড-১৯ এর কারণে এ বছর ওয়াশিংটনে একত্রিত হতে না পারলেও স্যানিটেশন এন্ড ওয়াটার ফর অল এর আয়োজনে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ