শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:২১ অপরাহ্ন

মহামারীকালেও নিরলসভাবে কাজ করছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২২৪ Time View

ঢাকা: ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় নিয়োজিত সর্বোচ্চ ফোরাম জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ২৩তম সভা সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি।

২৯ সদস্য বিশিষ্ট পরিষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, সমাজকর্মী ও বীমা ব্যক্তিত্ব শেখ কবির হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, ব্যবসায়ী কাজী আকরাম উদ্দীন আহমেদ, প্রীতি চক্রবর্তী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ফেরদৌস আহমেদ, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান, জনপ্রশাসনে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সরকারের সাবেক সচিব মো. আবদুল মালেক, এফবিসিসিআইয়ের সহ সভাপতি মো. হাবিব উল্ল্যাহ ডন, কনজুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

সভা সঞ্চালনা করেন পরিষদের সচিব ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক বাবলু কুমার সাহা।

মন্ত্রী টিপু মুনশি করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট মহামারীকালে ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষা, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ, বাজারজাতকরণ ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিরলস কাজ করার জন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সব স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীকে ধন্যবাদ জানান এবং কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশনা দেন।

সভায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অধিদপ্তরের গৃহীত কার্যক্রমের প্রতিবেদন পরিষদের অবগতির জন্য উপস্থাপন করা হয়। এছাড়াও অধিদপ্তরের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের কার্যাবলীর বিবরণ সম্বলিত বার্ষিক প্রতিবেদন, ২০২০-২০২১ অর্থবছরের এপ্রিল, মে ও জুন ২০২১ পর্যন্ত একটি ত্রৈমাসিক হিসাব বিবরণী, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা গেইনের মধ্যে সম্পাদিত সহযোগিতা চুক্তির মেয়াদ বর্ধিতকরণ ও নতুনভাবে সম্পাদনযোগ্য চুক্তির বিষয় এবং ক্যাব কর্তৃক ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের ‘ভোক্তা অধিকার শক্তিশালীকরণ কার্যক্রম’ বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক অনুদান দেয়ার বিষয় অনুমোদনের জন্য সভায় উপস্থাপন করা হয়।

সভায় জানানো হয়, অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বাজার অভিযান পরিচালনা করে এক লাখ সাত হাজার ৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে দণ্ডিত করে ৭৩ কোটি ৩৯ লাখ ১৩ হাজার ২৪২ জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং একই সময়ে দাপ্তরিকভাবে প্রাপ্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি করে সাত হাজার দশটি প্রতিষ্ঠানকে চার কোটি ৮৮ লাখ ছয় হাজার আট টাকা জরিমানা করা হয়।

সভায় আরো জানানো হয়, দাপ্তরিকভাবে নিষ্পত্তিকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ হিসেবে ছয় হাজার ৯২০ জন অভিযোগকারীকে এক কোটি ২০ লাখ ২৯ হাজার ৫০২ টাকা দেয়াহয়। উপস্থিত সম্মানিত সদস্যবৃন্দ জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালিত কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন।

Share This Post

আরও পড়ুন