ঢাকাশুক্রবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মহাকবির জন্মদিনে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা….

নুরুন্নবী নুর
মার্চ ২৫, ২০২১ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নুরুন্নবী নুর: ‘কায়কোবাদ’ নামটির চেয়ে আমার কাছে ‘মহাশ্মশান’ শব্দটি বেশ পরিচিত। ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা অংশে মহাকাব্য নিয়ে প্রশ্ন হত। অর্থাৎ কে কোন মহাকাব্য লিখেছেন, সে বিষয়ে জানতে হত। এখন আবার বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষায় জানতে হচ্ছে।

হোমারের ইলিয়াড ও ওডেসির নাম শুনেছি, মীর মশাররফের বিষাদ সিন্ধু নাম শুনেছি, এ দিকে, কায়কোবাদের মহাশ্মশান তো আছেই। আর অনেক কবি মহাকাব্য লিখে, মহাকবির হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।

মহাকাব্য তেমন পড়া হয়নি, তবে প্রত্যেকটির কম-বেশি কাহিনী জানা আছে। যেমন- আজকে যে ব্যক্তিটিকে নিয়ে শুরুতে কথা বলেছি, কায়কোবাদ, মহাকবি কায়কোবাদ বা মুন্সী কায়কোবাদ বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য কবি। যাকে মহাকবিও বলা হয়, যার প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরায়শী।

মহাকাব্যে মহাশ্মশান সম্পর্কে একটু বলি, ‘মুসলমান কবি রচিত জাতীয় আখ্যান কাব্যগুলোর মধ্যে সুপরিচিত মহাকবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি। কায়কোবাদের মহাকবি নামের খ্যাতি এ মহাশ্মশান কাব্যের জন্যই। কাব্যটি তিন খন্ডে বিভক্ত। প্রথম খন্ডে ঊনত্রিশ সর্গ, দ্বিতীয় খন্ডে চব্বিশ সর্গ এবং তৃতীয় খন্ডে সাত সর্গ। মোট ষাট সর্গে প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার এ কাব্য বাংলা ১৩৩১, ইংরেজি ১৯০৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়; যদিও গ্রন্থাকারে প্রকাশ হতে আরো কয় বছর দেরী হয়েছিল। পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধযজ্ঞকে রূপায়িত করতে গিয়ে কবি বিশাল কাহিনী, ভয়াবহ সংঘর্ষ, গগনস্পর্শী দম্ভ এবং মর্মভেদী বেদনাকে নানাভাবে চিত্রিত করেছেন। বিশালতার যে মহিমা রয়েছে, তাকেই রূপ দিতে চেয়েছিলেন এ কাব্যে।’

আজ মহাশ্মশানের রচয়িতা জন্মদিন। জন্মদিনে মহাকবির প্রতি রইল ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা….

কাজেম আল কোরায়শী ১৮৫৭ সালের ২৫ মার্চ বর্তমানে বাংলাদেশের ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার অধীনে আগলা-পূর্বপাড়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫১ সালের ২১ জুলাই মারা যান।

লেখক: প্রাক্তন শিক্ষার্থী, নাট্যকলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

Facebook Comments Box