শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন

ভোক্তাদের ভিন্নধর্মী ক্যাটারিং অভিজ্ঞতা দিতে হুয়াওয়ের সাথে সোডেক্সো

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৬৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২১

ঢাকা: ক্যাটারিং ও কালিনারি শিল্পে সম্পূর্ণ নতুন মাত্রা দিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সোডেক্সো যৌথভাবে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠান দুইটি যৌথ অংশীদারিত্বে ‘সিফুড’ শীর্ষক একটি ইন্টেলিজেন্ট ডিজিটাল সল্যুশন তৈরি করেছে।

এটি হুয়াওয়ে অ্যাটলাস এআই প্ল্যাটফর্ম ও এআই ইমেজ রিকগনিশনের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন খাবারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করা যাবে। এআই ইঞ্জিন বিভিন্ন খাবারের দাম হিসেব করতে পারবে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে মূল্য পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের রেস্টুরেন্ট আমাদের সামনে প্রচলিত এবং ভিন্নধর্মী খাবার নিয়ে হাজির হচ্ছে। এই খাবারগুলোর ঐতিহ্যও বেশ সমৃদ্ধ। তবে এই খাবারগুলোর মূল্যমান নির্ধারণ, পুষ্টির বিষয় এবং এগুলো কতটুকু পরিমাণ খাওয়া দরকার এই বিষয়গুলো নিরূপণ আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরণের সমস্যা এড়াতেই হুয়াওয়ে এবং সোডেক্সো সিফুড সল্যুশন নিয়ে এসেছে।

যে কোন খাবারের বিভিন্ন দিক দশমিক ৩ সেকেন্ডের মধ্যে শনাক্তকরণে এই প্রোগ্রামটি ডিপ মেট্রিক লার্নিং ব্যবহার করে। নমুনা ও সাধারণ ডাটা সংগ্রহ করে এটি সাধারণত ছবিগুলো প্রক্রিয়া করবে। পরে বিভিন্ন ধরনের খাবারগুলো বিভিন্ন ভোক্তার পছন্দের সাথে মিলবে। এর ক্লাউড প্রযুক্তি ভিত্তিক একটি সক্রিয় সেলফ ট্রেনিং প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, যা প্রতিটি ইনপুটের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। সিফুড ইঞ্জিনটি ডাটা নেয় এবং প্রতিটি ইনপুটের সাথে সাথে এটি আরো কার্যকরী উপায়ে কাজ করে।

সিফুডের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ফিচার হলো এটি যথাসময়ে পুষ্টি ও ক্যালরির তথ্য প্রদান করতে পারবে। এটি মূল্য পরিশোধের বিষয়টিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করে এবং অর্ডার ও টার্নওভারের পরিসংখ্যানের বিষয়টিকেও তুলে ধরে। রেস্তোরাঁ ও ক্যাফেটেরিয়ার মালিকেরা সিফুডের এই ব্যতিক্রমী সেবা থেকে উপকৃত হতে পারবেন।

সোডেক্সো চীনের প্রেসিডেন্ট মার্টিন বোডেন বলেন, ‘উদ্ভাবনই সোডেক্সোর মূলমন্ত্র। প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে চীন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ। ক্যাটারিং খাতে উদ্ভাবনী মডেলের সেবার বিকাশে হুয়াওয়ের সাথে কাজ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই যৌথ উদ্ভাবনী প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্রেতাদের আরো উন্নতমানের সেবা দিতে পারবো; একইসঙ্গে এতে করে ক্রেতাদের অভিজ্ঞতাও আরো সমৃদ্ধ হবে। বিশেষ করে, দক্ষতা, সুবিধা ও স্বাস্থ্যগত দিক বিবেচনায়।’

প্রেস নিউজ

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ