শিরোনাম
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

ভারত কোনো সময়ই বাংলাদেশের বন্ধু ছিল না; তাদের কাজে বাংলাদেশকে ব‍্যবহার করেছে

মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন / ১৭৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২১

ভারত উপহার স্বরুপ করোনার ২০ লাখ টিকা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পাঠাচ্ছে। এটি সত্যিই আনন্দের! উপহারের করোনার টিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রী, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং ভারতের পরম বন্ধুরা প্রথম চালান নিজেরা প্রয়োগ বা ব‍্যবহার করে বাংলার জনগণকে বিশ্বাস করাক, আসলে কি করোনার ভ‍্যাকসিন দিয়েছে নাকি বাংলাদেশের জনগণকে মেধাশুন্য, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, শারিরিক প্রতিবন্ধী, অক্ষমতা এবং বাংলাদেশের জনগণকে ভারত সারা জীবন শোষিত করার জন্য বোবা বা বধির বানানোর চিন্তা ভাবনা করছে কিনা? ভাবার বিষয়।

ভারতের উপহার করোনা ভ্যাকসিন বাংলাদেশের কর্তা ব্যক্তিরা নিজেরাই প্রয়োগ করে যদি বাঁচে বা সুস্থ থাকে, তবে বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণও বাঁচবে।

করোনা সারা পৃথিবীতে আল্লাহর একটা গজব। একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দয়া করে তার বান্দাদের গুনাহ ক্ষমা করিলেই ওটাই হবে কভিড ১৯ এর একমাত্র ভ্যাকসিন টিকা। আল্লাহর ইবাদত, নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, আল্লাহর রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর দেখানো পথ করোনা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

করোনার ভ‍্যাকসিন নামে বাংলাদেশের শত শত কোটি টাকা পরম বন্ধু ভারত এবং স্বাস্থ্য বিভাগের দূর্নীতির খোরাক হয়ে দেশ ও জনগণের টাকা লোপাটের মাধ্যমে আত্মসাৎ করার একটি উপায় কিনা বাংলার সচেতন নাগরিক ও জনগণের বোঝা ও চিন্তা ভাবনা করা উচিত। ভারত করোনার ভ‍্যাকসিন উপহার ও সরবরাহের মাধ‍্যমে বাংলাদেশের বন্ধু বলে কি মনে হয়? ভারত বাংলাদেশের কোনো সময় বন্ধু ছিল না। তাদের কাজে বাংলাদেশকে ব‍্যবহার করেছে। ভারত বাংলাদেশ থেকে সব সুবিধা ও চুক্তি অনুযায়ী সমস্ত হিস‍্যা ভোগ করে নিয়ে যাচ্ছে। ভারত আমাদের ন্যায্য পাওনা ও অধিকার কখনো দেয় নি। ভারতের সাথে বাংলাদেশের প্রেম-ভালোবাসা এক তরফা। প্রেম-ভালোবাসা হয় ‘গিভ অ্যান্ড টেক’।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনার ভ‍্যাকসিন প্রয়োগ সম্পর্কিত বক্তব্য ভাল করে শুনলে ভ‍্যাকসিন নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। করোনার ভ্যাকসিন ভারতের জনগণের উপর প্রয়োগ করে ফলপ্রসূ হয়নি বলে জানা যায় এবং ভ্যাকসিনে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় বলে সংবাদ প্রচারিত হয়। তাই, আমাদের সবাইকে কভিড ১৯ এর ভ‍্যাকসিন নেওয়ার আগে আরো ভালো করে চিন্তা ভাবনা করা দরকার।

মানুষ বাঁচার জন্য করোনার ভ্যাকসিন চাই। কেউ মারা বা আত্মহত্যার জন্য করোনার ভ্যাকসিন চাই না। আল্লাহ করোনা, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, দূর্নীতিবাজ, আমানত খেয়ানতকারী ও মিরজাফরদের হাত থেকে মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও এর জনগণকে রক্ষা করুক, আমীন।

লেখক: এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট অ্যান্ড জর্জ কোর্ট, চট্টগ্রাম।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ