শিরোনাম
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৮ অপরাহ্ন

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে ছোঁয়াচে রোগের মত ছড়িয়ে পড়ছে ‘বেকারত্ব’ নামক অসুস্থতা

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম / ১৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

বেশি বেশি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি না করে বেশি কর্মক্ষেত্র তৈরি করুন। না হয় এসব উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেকার তৈরির কারখানায় রুপান্তরিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে (জাতীয়সহ) দেখা যায় যে, এ রকম সাবজেক্টও রয়েছে, যেটার উপর চার বছর অনার্স বা মাস্টার্সসহ পাঁচ বছর পড়ার পর কাজ করার ক্ষেত্র পাওয়া যায় না। তার মানে সরকারের চার বছরের ভর্তুকি এবং নিজের সময় ও অর্থ কোন কাজেই আসল না।

এর পরের বিষয়টা আরও করুণ। চার বছর পড়াশোনা করে নিজের সাবজেক্টে জব করবে, ফিল্ড আছে কিন্তু সম্মান নেই বা সন্তোষজনক মাইনে নেই। আবার অনেক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা খুঁজে, যা অর্জনের সে কোন সুযোগ ই পায় নি। তার বিশ্ববিদ্যালয় তাকে হাতে-কলমে কাজ করার সে সুযোগ করে দিতে পারে নি, পারে নাই কোন ইন্টার্নশীপের সুযোগ করে দিতে।

সময়, পরিবেশ, অর্থ, নিজের সামাজিক মর্যাদা (পেশার অত্যধিক শ্রেণি বৈষম্য) প্রভৃতি বিবেচনায় দেখা যায় যে, একটা টেনকনিক্যাল সাবজেক্ট থেকে পড়াশোনা করা সত্ত্বেও কোন উপায়ান্তর না দেখে একজন শিক্ষার্থী বিসিএস কিংবা ব্যাংকের চাকরি অথবা ভাল কোন সরকারী চাকুরী পাওয়ার জন্য গাধার মত দিন রাত এক করে কষ্ট করে যাচ্ছে। এতে করে সমাজে-রাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ছে এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা। যে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ৯০ শতাংশের বেশি প্রতিযোগী আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

আপনার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বাদ পড়বেন পোস্ট খালি না থাকার কারণে। তবে এ অসুস্থতা শারীরিক নয়, মানসিক। ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রে ছোঁয়াচে রোগের মত ছড়িয়ে পড়ছে ‘বেকারত্ব’ নামক এ অসুস্থতা।

বেশি বেশি বিশ্ববিদ্যালয় বানিয়ে আমরা কি এ অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাব? প্রশ্ন রাখলাম আপনাদের কাছে।

লেখক: শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিদ্যালয়

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ