বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রাপ্ত শিরীণ আখতার ও মুশতারী শফীকে সংবর্ধনা দিল ‘উৎস’

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৭৪ Time View

চট্টগ্রাম: জাতি ও সমাজ বিনির্মাণে গুণীজনের সম্মান একান্ত জরুরী বলে মনে করেন চট্টগ্রাম পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মো. নূরুল আনোয়ার।

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের দুইজন অত্যন্ত গুণী নারী প্রতিনিধি এই বছর রোকেয়া পদক পাওয়ায় আমরা চট্টগ্রামবাসী খুব আনন্দিত। তাঁরা নারী জাগরণের এবং নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান এবং ভবিষৎ প্রজন্মের জন্য অগ্রদূত হয়ে থাকবেন। নারী জাগরণের আলোকবর্তিকা বেগম রোকেয়ার কর্ম ও আদর্শকে সামনে রেখে নারীদের এগিয়ে যেতে হবে।

ইউনাইট্ থিয়েটার ফর সোশাল অ্যাক্শন (উৎস) এবং নারী যোগাযোগ কেন্দ্র চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ছয়টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে অনুষ্ঠিত হয়।

ডিয়াকোনিয়া’র সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সম্প্রতি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রবর্তিত ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২০’ প্রাপ্তজন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য ড. শিরীণ আখতার ও শহীদ জায়া ও বেগম মুশতারী শফীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংবর্ধনা প্রাপ্ত ড. শিরীণ আখতারের পরিবার ৭৫ পরবর্তী সরকারের নির্যাতন ও রোষানলে পড়েছিল, যা সত্যিই খুব দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন মো. নূরুল আনোয়ার।

‘উৎস’ এর নির্বাহি পরিচালক মোস্তফা কামাল যাত্রার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি অধ্যাপক (অব:) কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন নারী যোগাযোগ কেন্দ্র চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক সালমা জাহান মিলি

অনুষ্ঠানের শুরুতে বেগম মুশতারী শফী ও ড. শিরীণ আখতারের জীবনী পাঠ করেন যথাক্রমে নারী যোগাযোগ কেন্দ্র চট্টগ্রাম মহানগরের সমন্বয়ক রীপা পালিত ও উৎসের হার্ট প্রকল্পের সিনিয়র প্রোগ্রাম এসোসিয়েট মোহিনী সংগীতা সিনহা।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি এমদাদুল হক, এডাব চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু।

সংবর্ধনা পেয়ে শিরীণ আখতার তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমাকে রোকেয়া পদক প্রদান করায় আমি বেগম রোকেয়া ও প্রধানমন্ত্রীর সাথে একই সূত্রে আবদ্ধ হয়েছি। এই একই সূত্রে গাঁথা পড়ায় আমার উপর দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। আমি যেন বেগম রোকেয়ার সেই স্বপ্নকে সত্যি করতে পারি, নারীর শিক্ষা, নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে পারি।’

ডিজএ্যাবিলিটি এডভোকেসি গ্রুপ (ডিএজি), কৈশোর ও যুব ফোরাম, মেন্টাল হেলথ এডভোকেসি এসোসিয়েশনের (মা) পক্ষ থেকে পদক প্রাপ্তদের ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়।

– প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Share This Post

আরও পড়ুন