মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ-কোরিয়ার যৌথ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ও হসপিটাল নির্মাণের পরিকল্পনা হচ্ছে

রিপোর্টারের নাম / ৯৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রাম : যৌথ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল ইউনিভার্সিটি এবং হসপিটাল নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নব নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লী জাং কেইন।

তিনি বলেন, ‘কোরিয়া বাংলাদেশে ষষ্ঠ বৃহৎ বিনিয়োগকারী এবং তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় এক দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার। প্রায় ২০০ কোরিয়ান কোম্পানি এদেশে বিনিয়োগ করেছে। কোরিয়ান ইপিজেড দুই দেশের বন্ধুত্বের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বর্তমানে অবকাঠামো উন্নয়ন, ইলেক্ট্রনিক্স এবং অটোমোবাইল খাতে কোরিয়া বিনিয়োগ করছে।’

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলমের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ সবব কথা বলেন।

এ সময় চেম্বার পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, কোরিয়ার অনারারী কনসাল (গাজীপুর) ও চেম্বারের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ মহসিন, দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারী জূ জি জং এবং কোরিয়া ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সীর (কোটরা) প্রধান কিম জাংওন বক্তব্য রাখেন।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত লী জাং কেইন আরো বলেন, ‘কোরিয়া আরও মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’

তিনি তার সময়কালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাংলাদেশ উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রদূত লী জাং কেইন লভ্যাংশ কমে যাওয়া, শ্রম আইনের পরিবর্তন এবং অবসর গ্রহণকারী কর্মীদের সুবিধাসহ বিদ্যমান কিছু সমস্যা সরকারের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানে এদেশে কোরিয়ান বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘২০২১ ও ২০৪১ সালের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কোরিয়ার সহযোগিতা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ইপিজেড এবং কেইপিজেডসহ বাংলাদেশে কোরিয়ান বিনিয়োগ কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ এদেশে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করেছে।’

তিনি বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন এবং চেম্বারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা জানান।

চেম্বার সভাপতি ওয়ান স্টপ সার্ভিস সম্বলিত মিরসরাই ইকনোমিক জোনে কোরিয়ান বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসে আরও বেশী বাংলাদেশী পণ্য যাতে কোরিয়ার বাজারে প্রবেশ করতে পারে, সে ব্যাপারে সহযোগিতা কামনা করেন।

মাহবুবুল আলম চট্টগ্রামে উভয় দেশের বন্ধুত্বের স্মারক হিসেবে একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রজেক্ট বাস্তবায়নের আহবান জানান।

চেম্বার পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর কোরিয়ান মার্কেটের উপযোগী কোয়ালিটি পণ্য উৎপাদনে দেশীয় উৎপাদনকারীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগে একটি ম্যানুয়েল তৈরির প্রস্তাব করেন এবং সে দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক তৈরি ও রপ্তানি করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য সহযোগিতা প্রদানের অনুরোধ জানান।

কোরিয়ার অনারারী কনসাল মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘চিটাগাং চেম্বারের সহায়তায় সরকার এবং কোরিয়ান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান বিনিয়োগ আরও অধিক পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে ও উভয় পক্ষ উপকৃত হবে।’

তিনি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে কোটরার সহযোগিতায় নিয়মিত ট্রেডশো আয়োজনের অনুরোধ জানান।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ