বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১০:১১ অপরাহ্ন

বঙ্গকন্যা বলেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দেশের শিক্ষিত বেকার মানুষের এতো ভালোবাসা ও অনুরোধ

নুরুন্নবী নুর / ১৪৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার শাহবাগে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর প্রত্যাশী সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ।

অন্যদের শাসন আমলে ২৭ থেকে ৩০ বছর করা হলেও ত্রিশের পর নানা সময়ে ৩৫ বছর করার জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তা করেন নি। রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে মন্ত্রীরা পর্যন্ত সংসদে বিভিন্ন সময়ে ৩৫ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিকট আবেদন করলেও সেভাবে সরকার প্রধান গুরুত্ব দেননি।

অপরিকল্পিত শিক্ষা ব্যবস্থার দরুন একজন শিক্ষার্থীকে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করতে যেখানে ২৭-২৮ বছর হয়ে যায়, সেখানে ৩০ বছর হতে না হতে কষ্টে অর্জিত সনদগুলো বাতিল হয়ে পড়ে। চবি নাট্যকলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমার অনার্স-মাস্টার্স শেষ করতে ২৭ বছর লেগেছে। করোনা ভাইরাসে চলে গেল এক বছর। ২০২১ এর জানুয়ারি ২৯ বছরে পা দিলাম। এরই মধ্যে কয়েকটি আবেদন করা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কিছুই হয়নি। দুই বছরে বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির প্রস্তুতি নিব নাকি ৩০ এ বয়স শেষ হয়ে যাবে, মাথায় সে চাপটি নিব?

এ রকম লাখ লাখ শিক্ষার্থীর কষ্ট মনের মধ্যে পোষে রাখা হয়েছে। প্রত্যেকের কাছে প্রশ্ন, পাশ্চাত্য উন্নয়নশীল দেশগুলোতে একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া সব দেশে বয়সটাকে কোনো ধরনের ফ্রেমে বাধেননি। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ন্যুনতম বয়স ৩৫-৪০ রাখা হয়েছে। সেখানে আমাদের বাংলাদেশে কেন এ ধরনের অবস্থা?

বর্তমান সরকার গণতন্ত্রের সরকার, অসাম্প্রদায়িক সরকার। প্রধানমন্ত্রী পাশ্চাত্য দেশে ‘মাদার অব হিউমিনিটি’ হিসেবে পরিচিত। সেই মানবিকতার চিন্তা করে বঙ্গকন্যা সরকারী চাকরিতে প্রবেশের বয়স নূন্যতম পঁয়ত্রিশও না করেন, তাহলে দেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থী হতাশাগ্রস্থ জীবন কাটাবে। বঙ্গকন্যা বলেই আমাদের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দেশের বেকার শিক্ষিত মানুষের এতো ভালোবাসা ও অনুরোধ।

কর্মসূচির প্রধান সমন্বয়ক এমএ আলী বলেন, ‘শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি, এটি কোন সরকার বিরোধী আন্দোলন নয়। এটি যৌক্তিক আন্দোলনকে সরকার প্রধানের কাছে বার্তা পৌঁছে দেয়ার আন্দোলন। সরকার যাতে বিন্দুমাত্র বিষয়টি নিয়ে অবগত হতে পারেন। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতামতের দিকে তাকিয়ে আছি। আশা করি, ২৬ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সফল হবে। ‘

২০১৩ সালে শাহবাগে মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির জন্য মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের মানুষ একত্রিত হয়েছিল। সেই আন্দোলন সে সময় আলোর মুখ দেখেছিল। সে সময় বর্তমান সরকার, দেশের মানুষের কথা শুনেছিলেন। ২৬ তারিখের ৩৫ প্রত্যাশীদের ডাকও সরকার গুরুত্ব না দিয়ে পারবেন না।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ