মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

ফুল হাই ডেফিনিশন থেকে আল্ট্রা হাই ডেফিনিশন: টেলিভিশন প্রযুক্তির বিকাশ

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ২৫ Time View

ঢাকা: ইতিহাসের পাতায় প্রথম সফলভাবে টেলিভিশন প্রদর্শিত হওয়ার গল্প লেখা হয় ১৯২৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে। এরও কয়েক দশক আগে, ১৮৬২ সালে অ্যাবে জিওভান্না ক্যাসেলি মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম ইলেকট্রনিকভাবে স্থির ছবি পাঠানোর যন্ত্র প্যান্টেলেগ্রাফ তৈরি করেন। প্যান্টেলেগ্রাফে ধারণ করা প্রথম ছবিটি ছিল একটি সাধারণ লাইন, যা আধুনিক টেলিভিশনের পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত হয়। সময়ের পরিক্রমায় প্রযুক্তির বিকাশ কখনো থেমে থাকেনি, চলেছে এর আপন গতিতে; ফলে সার্বক্ষণিক অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাঝে ডুবে থাকায় প্রায়ই আমরা নতুন প্রযুক্তি বা উদ্ভাবন নিয়ে তেমন একটা ভাবি না।

এখন প্রায়ই টেলিভিশন কিনতে গেলে আমরা নানা ধরণের উদ্ভাবনী ফিচার দেখে পছন্দ করা নিয়ে পড়ি মধুর সমস্যায়- কোনটা রেখে কোনটা নেব। কি ধরনের ফিচার দেখে কিনব? কোন ব্র্যান্ডকে আমরা বিশ্বাস করব? এমন হাজারটা প্রশ্ন এসে জমা হয় আমাদের মাথায়। এ আর্টিকেলে আমরা টেলিভিশন কেনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, স্ক্রিন রেজ্যুলেশনের ফুল হাই ডেফিনিশন (এফএইচডি) এবং আল্ট্রা হাই ডেফিনিশন (ইউএইচডি) নিয়ে আলোচনা করবো; এটি হয়ত আপনার টেলভিশন পছন্দ করতে সাহায্য করবে।

এক কথায় বলতে গেলে, এফএইচডি এবং ইউএইচডি (অথবা ফোর কে) মূলত স্ক্রিন রেজ্যুলেশন বিষয়ক প্রযুক্তি। এফএইচডিতে রেজ্যুলেশন ১৯২০x১০৮০ পিক্সেল এবং ইউএইচডিতে রেজ্যুলেশন ৩৮৪০x২১৬০ পিক্সেল। ইউএইচডি টিভির ‘আল্ট্রা’ শব্দটি বোঝায় যে, এটি এফএইচডি টিভির চেয়ে আরো উন্নত দেখার অভিজ্ঞতা দেবে। ইউএইচডি সাধারণত বড় টিভিতে ব্যবহার করা হয়, যাতে আপনি টিভির কাছাকাছি বসে স্পষ্ট ও পরিষ্কার ছবি উপভোগ করতে পারেন। স্ক্রিনে রঙের ঔজ্বল্যের ক্ষেত্রে ইউএইচডি অনন্য; এর ক্রিস্টাল ডিসপ্লে কালারকে মানানসই উপায়ে প্রদর্শন করে আপনাকে দিবে সূক্ষ্মভাবে টিভি উপভোগ করার অভিজ্ঞতা। এফএইচডিতে পূর্ণ এইচডি স্ক্রিন দেখতে চমৎকার হলেও, ইউএইচডির সাথে তুলনা করলে আপনি স্পষ্টতই দুটোর মধ্যে সুক্ষ্ম ও পরিস্কার ছবির তফাৎ বুঝতে পারবেন। শুধু তাই নয়, আপনাকে আরো চমৎকার অভিজ্ঞতা দিতে বিশ্বজুড়ে টিভি নির্মাতারা ইউএইচডি টিভিতে ফাস্ট ইউজার ইন্টারফেস, স্ট্রিমিং ভিডিও সার্ভিস, কালার গামুট, রিকমেন্ডেশন ইঞ্জিনসহ দুর্দান্ত সব অত্যাধুনিক ফিচার যোগ করেছে।

আপনি যদি ইতিমধ্যে টিভি কিনবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে নিশ্চয়ই এখন কোন ব্র্যান্ডেরটা কিনবেন, সেটি নিয়ে ভাবছেন। তাহলে এক্ষেত্রে, অন্যান্য অনেক ব্র্যান্ডের ইউএইচডি টিভির ভিড়ে স্যামসাং ব্র্যান্ডটি আপনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে। বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক ব্র্যান্ড হিসেবে স্যামসাং বহু বছর ধরে বাজারে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে চলেছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে ক্রেতাদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন পণ্য নিয়ে আসতে নিরলস কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। দুর্দান্ত অডিও-ভিজ্যুয়াল কোয়ালিটি, নান্দনিক ডিজাইন ও চমকপ্রদ অত্যাধুনিক ফিচারের সমন্বয়ে স্যামসাং আধুনিক জীবনের সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে ‘লাইফস্টাইল টিভির নব যুগের উত্থান ঘটিয়েছে। প্রতিনিয়ত উদ্ভাবনী পণ্য উৎপাদন স্যামসাংকে টানা গত ১৪ বছর বৈশ্বিক টিভির বাজারে প্রথম স্থানে রেখেছে। স্যামসাং কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশ দেশের বাজারে ৪৩, ৫০, ৫৫, ৬৫ ও ৭৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের ক্রিস্টাল ইউএইচডি টিভি এনেছে যার মূল্যসীমা ৫৯ হাজার ৯০০ টাকা থেকে তিন লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত।

টেলভিশন বর্তমানে আমাদের জীবনে বিনোদন কিংবা কাজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবিচ্ছ্যেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যস্ততাপূর্ণ এ ডিজিটাল লাইফস্টাইলে একটি ইউএইচডি টিভি হতে পারে আমাদের জীবনের অন্যতম কাছের সাথী।

প্রেস বার্তা

Share This Post

আরও পড়ুন