মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন

ফটিকছড়িতে ভূমি ও ঘরহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ কাজ দেখলেন জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ৫১ Time View

চট্টগ্রাম: শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলায় ভূমিহীন ও ঘরহীন পরিবারের জন্য নির্মিত ও নির্মাণাধীন ঘরগুলোর গুণগত মান ঠিক আছে কিনা; তা পর্যবেক্ষণের জন্য ফটিকছড়ি উপজেলার ফটিকছড়ি পৌরসভায় ৮০টি এবং পাইন্দং ইউনিয়নের ১৮৮টি ঘর নির্মাণ কার্যক্রম দেখেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।

শনিবার (১০ জুলাই) সকালে পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক প্রতি উপকারভোগীর মধ্যে মানবিক সহায়তা এবং রোপণের জন্য পাঁচটি করে চারা গাছ বিতরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ফটিকছড়ি উপজেলায় প্রথম পর্যায়ের প্রথম ধাপে গত ২৩ জানুয়ারি ৭০টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে গৃহ হস্তান্তর করা হয়। প্রথম ধাপে পাইন্দং, সুয়াবিল, ভূজপুর ও কাঞ্চন নগর ইউনিয়নে ৭০টি ঘর নির্মাণ করা হয়।

ফটিকছড়ি উপজেলায় প্রথম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে ৫৩০টি পরিবারকে পূনর্বাসন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে পাইন্দংয়ে ২৬, কাঞ্চননগরে দশ, সুয়াবিলে ২২ ও ভূজপুরে ১২টিসহ মোট ৭০টি ঘর জমিসহ হস্তান্তর করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে খিরামের ৯৫, পাইন্দংয়ে ২০৭, নারায়ণহাটে দশ, বাগান বাজারে ৩০, ধর্মপুরে ১৫, ভূজপুরে ৭৫, সুয়াবিলে ১৩, রোসাংগিরীতে পাঁচ ও ফটিকছড়ি পৌরসভায় (দক্ষিণ রাঙ্গামাটিয়া) ৮০টিসহ মোট ৫৩০টি জমিসহ ঘর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। ঘরগুলো অবৈধ দখলদারদের থেকে উদ্ধারকৃত ৩৪ দশমিক ৫৬ একর খাস জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে।

উপকারভোগীদের জন্য সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে প্রকল্প স্থানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক গভীর নলকূপ ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহায়তায় বিদ্যুৎয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কমিউনিটি স্থাপনের নিত্য প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গ তথা মসজিদ ও ধর্মীয় স্থান, কবরস্থান, বিদ্যালয় ও খেলার মাঠের জন্য প্রকল্পস্থলে আলাদা আলাদা জায়গা রাখা হচ্ছে। প্রকল্প স্থানে যাতায়াত ব্যবস্থা সুগম রাখার জন্য উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

ফটিকছড়ি উপজেলার ঘর নির্মাণ কার্যক্রম দেখে স্থান নির্বাচন, উপকারভোগী নির্বাচন ও কাজের গুণগত মান নিয়ে মোহাম্মদ মমিনুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ সময় জেলা প্রশাসন পুকুর খনন, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে কথা দেন এবং বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য তাৎক্ষণিক পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছেন, যেখানে ২৩৩টি ঘরে প্রায় এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার ৪০০ জনের বসবাস।

Share This Post

আরও পড়ুন