শিরোনাম
চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের সমন্বয় সভায় ট্রেনে যাত্রী সেবা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ নিংশ্বাসের বন্ধু’র প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রামে ১৬-১৭ জুন থিয়েটার থেরাপি প্রয়োগ বিষয়ক রিফ্রেশার্স ট্রেনিং চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

পোশাক শিল্পে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে করোনা: রুবানা হক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০

ঢাকা: ‘কোভিড-১৯ সঙ্কটে পোশাক শিল্পের সরবরাহকারী ও ক্রেতা সকলেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন। এই অতিমারি পোশাক শিল্পকে সমূলে নাড়া দিয়েছে।’-বলেছেন বিজিএমইএ এর সভাপতি ড. রুবানা হক।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) বিকাল পাঁচটায় অনলাইনে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি আরো বলেন, ‘করোনা অতিমারি পোশাক শিল্পে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে এর পরিণাম আরো ভয়াবহ হতো, যদি না আমরা স্টেক হোল্ডারদের ক্রয়াদেশ বাতিল ইস্যুতে সোচ্চার না হতাম, যদি না ক্রেতাদের সাথে দর কষাকষি না করতাম এবং যদি না ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ বাতিলের ফলে সৃষ্ট শিল্পের দুর্দশা ও চ্যালেঞ্জগুলো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে তুলে না ধরতাম।’

রুবানা হক বলেন, ‘ব্যবসায় পরিস্থিতি বিশেষ করে ক্রয়াদেশ বাতিলের তথ্যাদি পাওয়ার জন্য আমরা গত ১৯ মার্চ একটি অনলাইন পোর্টাল খুলি, যেখানে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রয়াদেশ বাতিল/স্থগিতের তথ্য প্রদান করেন। গত এপ্রিলের শেষ নাগাদ এক হাজার ১৫০টি সদস্য প্রতিষ্ঠান এ পোর্টালে তিন দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারের কার্যাদেশ বাতিল ও স্থগিতের তথ্য প্রদান করেন, যার মাধ্যমে ৬৫টি দেশের প্রায় এক হাজার ৩০০টি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ক্রয়াদেশ বাতিলের তথ্য পাওয়া যায়।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মাল্টি স্টেক হোল্ডার এপ্রোচের ভিত্তিতে বিজিএমইএ কর্তৃক ক্রমাগত যোগাযোগ এবং চাপ সৃষ্টির ফলে গত জুন-আগস্ট সময়ে বাতিলকৃত ক্রয়াদেশের প্রায় ৯০ শতাংশ পুনর্বহাল সম্ভব হয়, যদিও কারখানাগুলোকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, মূল্যছাড় ও ডেফার্ড পেমেন্ট মেনে নিতে হয়েছে। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিলো ক্রেতাদের সাথে আস্থার সম্পর্ক ধরে রাখা।’

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘আমরা আইএলও’কে সম্পৃক্ত করে ক্রেতাদেরকে নির্বিচারে ক্রয়াদেশ বাতিল এবং ডিসকাউন্টসহ অন্য অনৈতিক আচরণ থেকে বিরত রাখার জন্যও আহ্বান জানিয়েছিলাম। এর পর পরই আইএলও ‘কল ফর একশন’ নামে একটি গ্লোবাল কম্টিমেন্ট প্রবর্তন করে, যেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্রেতা যুক্ত হয়ে নেতিবাচক আচরণ থেকে বিরত হওয়ার অঙ্গীকার করে।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, পোশাক শিল্পের শ্রমিক ভাই-বোনদের জন্য একটি তহবিল গঠনের বিষয়ে জার্মানী ও ইউরোপিয় ইউনিয়নকেও আহ্বান জানায় বিজিএমইএ। এর পর পরই জার্মান সরকার বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের জন্য ২০ মিলিয়ন ইউরো বেকার তহবিল গঠনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।

‘করোনা প্রাদুর্ভাবের সাথে সাথে আমরা যে শুধুমাত্র আমাদের ব্যবসায় নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি, তা কিন্তু নয়, আমাদের কারখানাগুলো যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালিত হয়, সে বিষয়েও বিজিএমইএ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করি।’ যোগ করেন ড. রুবানা হক।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ