শিরোনাম
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৮০০ পিস আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন

পুঁজিবাদ নারীকে পণ্যে পরিণত করে

পরম বাংলাদেশ / ৫১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১

চট্টগ্রাম: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) নারী সেল চট্টগ্রামের উদ্যোগে হাজারীগলিস্থ সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) বিকাল পাঁচটায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা নারী সেলের আহ্বায়ক কমরেড রেখা চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মৃণাল চৌধুরী, সিপিবি চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অশোক সাহা, সিতারা শামিম, স্বপ্না তালুকদার, শীলা দাশ গুপ্ত, মৃণালিনী চক্রবর্তী ও আখীঁ রেখা পাল প্রমুখ।

সভায় বক্তরা বলেন, ‘পুঁজিবাদ নারীকে পণ্যে পরিণত করে, মৌলবাদ নারীকে আরও অধীনস্ত করে তুলে। এ দুইই সমানভাবে নারীমুক্তি ও নারীর সমঅধিকারের বিরোধী শক্তি, কাজেই এ দুইয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, যা প্রকারান্তরে সমাজ পরিবর্তনের লড়াই। সহিংসতা, গণতন্ত্রহীনতা ও মৌলবাদই মূলত নারী মুক্তির লড়াইয়ের অন্যতম প্রধান অন্তরায়। নারীর রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত হওয়ার মধ্য দিয়েই মূলত তার সামাজিক, অর্থনৈতিক অবস্থা নির্ধারিত হয়। যেহেতু নারী মুক্তির লড়াই একটি রাজনৈতিক লড়াই, তাই রাষ্ট্রের, রাষ্ট্রকর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গী দ্বারা সমাজে নারীর অবস্থান প্রভাবিত হয়। সংখ্যাতাত্ত্বিক সূচকে এগিয়ে থাকা অথবা প্রশাসনিক ক্ষমতাকেন্দ্রিক বিভিন্ন পদে কিছু সংখ্যক কিংবা অধিক সংখ্যক নারীর বহাল থাকাই কিন্তু নারী মুক্তি বা নারী প্রগতি নয়, বরং সমাজে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, গণতন্ত্রের চর্চা, সমতা নারী মুক্তির প্রকৃত পদক্ষেপ।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘সারা বিশ্বে সমাজতান্ত্রিকরাই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সূচনা করে। নারী শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও ন্যায্য শ্রম ঘণ্টা প্রতিষ্ঠার লড়াই আজ সারা বিশ্বের নারী মুক্তির আন্দোলনের প্রেরণার উৎসে পরিণত হয়েছে।’

বক্তারা বলেন, ‘বিদ্যমান আইনী কাঠামোতে নারীর সমঅধিকার চরমভাবে অবহেলিত। রাষ্ট্রে বিচারহীনতা ও জবাবদিহীতার অভাব, সর্বোপরি গণতন্ত্রহীনতার কারণে নারী-নির্যাতন-শোষণ ক্রমাগত: বেড়েই চলে। পুঁজিবাদ নারী দিবসের তাৎপর্যকে ভিন্ন ধারায় একটি সাধারণ আনন্দ উদযাপনে করেছে। এ ব্যাপারে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। সমান কাজে সমান মজুরি, পারিবারিক সহিংসতা ঘরে বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্পদ সম্পত্তিতে সমান অধিকার এবং আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নারী পুরুষের সমতার পৃথিবী প্রতিষ্ঠা সম্ভব। আর এ জন্য অবশ্যই প্রয়োজন একটি রাজনৈতিক লড়াই এবং সেই রাজনৈতিক লড়াই যে রাজনৈতিক লড়াই ভোগবাদ, পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে একটি প্রকৃত আদর্শিক লড়াই সূচনা করবে।’

প্রেস বার্তা

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ