মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন

পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেল ড্রেজিংয়ে বেলজিয়ামের ‘জান ডে নুল’র সাথে চুক্তি সই

পরম বাংলাদেশ
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১২৭ Time View

ঢাকা: দেশের নৌ ও সমুদ্র সীমানায় অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পায়রা বন্দর ২০৩৫ সালে দেশের অর্থনীতিতে সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করবে। পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর এর কার্যক্রম সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃতি হবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলে জরুরি মেইনটেনেন্স ড্রেজিং প্রকল্পের চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন।

পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলে (ইনার ও আউটার চ্যানেল) ছয় দশমিক তিন মিটার গভীরতা বজায় রাখার লক্ষ্যে জরুরি মেইনটেনেন্স ড্রেজিং প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বেলজিয়ামভিত্তিক ড্রেজিং কোম্পানী জান ডে নুল এর মধ্যে আজ এক চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর হুমায়ুন কল্লোল এবং জান ডে নুল এর প্রকল্প পরিচালক জান মোয়েন্স।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মামুনুর রশিদ।

চুক্তিপত্র অনুযায়ি রাবনাবাদ চ্যানেলের (ইনার ও আউটার চ্যানেলে) প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১০০-১২৫ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট চ্যানেলে আনুমানিক ৯ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ঘন মিটার পলি অপসারণ করা হবে। ১৮ মাসের মধ্যে ড্রেজিং কাজ শেষ করতে প্রায় ৪৩৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হবে। প্রকল্পটির ব্যয় পায়রা বন্দরের নিজস্ব তহবিল হতে বহন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পায়রা বন্দর নির্মাণ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর একটি স্বপ্নের প্রকল্প। পায়রা বন্দরকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বেগবান হবে। পায়রা বন্দরসহ বিশাল সমুদ্র সীমার নিরাপত্তার জন্য পায়রা বন্দর এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি এবং ‘শেখ হাসিনা ক্যান্টনমেন্ট’ নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। পায়রা বন্দরকে গতিশীল করতে ড্রেজিং কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। জরুরি মেইনটেনেন্স ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাপিটাল ড্রেজিং শুরু করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের রিজার্ভের পরিমাণ ৪২ বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের। কাজটি নিজস্ব অর্থায়নে করতে যাচ্ছি। পদ্মা সেতু পুরাপরি চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের পায়রা বন্দরের গুরুত্ব বেড়ে যাবে।’

পায়রা বন্দরে ইতিমধ্যে স্থাপিত কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বিসিপিসিএল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এ নিয়মিতভাবে কয়লা সরবরাহ করার লক্ষ্যে কয়লাবাহী জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা এবং পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেল ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সিমেন্ট, ক্লিংকার, ফুডগ্রেন, ফ্লাইএ্যাশ, সার, কনস্ট্রাকশন মেটারিয়াল ইত্যাদি মালামাল পরিবহন সুবিধার্থে চ্যানেলের (৬ দশমিক ৩ মিটার গভীরতা) রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং করাই প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

Share This Post

আরও পড়ুন