ঢাকাসোমবার, ৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাঁচ বছরে সকলের আকাঙ্খা ও চাহিদা শতভাগ পূরণ কখনও সম্ভব নয়

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১ ৫:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে চান্দগাঁও ওয়ার্ডে মশা নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘নগরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র পদে পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেও এ সময়ের মধ্যে সকলের আকাঙ্খা ও চাহিদা শতভাগ পূরণ কখনও সম্ভব নয়। এ বাস্তবতার প্রেক্ষিতে অধিক জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ১০০ দিনের মধ্যে সেগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ লাঘব ও নাগরিক স্বস্তি প্রদানে আমার সামর্থ্য ও সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা উজাড় করে দেব।’

মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতাকে প্রথম অগ্রাধিকার দিয়ে উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে নতুন মেয়র বলেন, ‘মশার বিস্তার নাগরিক দুর্ভোগ ও অস্বস্তির বড় অসহনীয় উপসর্গ। তাই তা নিরসনে প্রথম ২০ দিনের মধ্যে সময় বেঁধে দিয়ে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হবে। সিটি কর্পোরেশন মশা নিধনের ওষুধ ছিটাবে এবং প্রকাশ্য স্থান ও নালা-নর্দমার স্তুপকৃত আবর্জনা, বর্জ্য পরিস্কার করবে। কিন্তু শুধু এভাবেই মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা সম্ভব নয়। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা।’

রেজাউল করিম বলনে, ‘নিজ গরজেই বাসা-বাড়িতে মশা প্রজনন ও উৎপত্তি স্থল বিনাশ এবং বর্জ্য-আবর্জনা সরিয়ে ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে। কেউ নালা নর্দমায় বা খালে ও পানি চলাচলের পথে পলিথিন, প্লাস্টিক, বর্জ্য-আবর্জনা ফেলতে পারবেন না। মনে রাখতে হবে, সিটি কর্পোরেশন শুধু মেয়রের একার নয়, প্রত্যেক নগরবাসীর।’

তিনি বলেন, ‘মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনগুলো যে ওষুধ ছিটায়, সেগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মশার এ ওষুধের মান নির্ণয়ে তা ঢাকায় ল্যাবে পাঠিয়ে যাচাই-বাছাই করা হবে। নগরীর অনেক সড়ক যান ও জনচলাচল অনুপযোগী। এগুলো এক সাথে সংস্কার বা মেরামত করা সম্ভব নয়। যেগুলোর বেশি বেহাল অবস্থা, সেগুলো আগে মেরামত ও খানা-খন্দ ভরাট করা হবে।’

এ সময় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, চসিক আঞ্চলিক অফিস জোন-৬ এর নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আকতার, রাজস্ব কর্মকর্তা শাহেদা ফাতেমা, যুগ্ম জেলা জজ জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা আকতার নেলী, উপ-সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু ছালেহ, সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সিদ্দিক, ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী, প্রকৌশলী মীর্জা ফজলুল কাদের, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মা, মো. হাছান রশিদ প্রমুখ মেয়রের সাথে ছিলেন।

নিউজ পিআইডির

Facebook Comments Box