শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

পদ্মা সেতুর সমালোচনাকারি ড. ইউনুস ও খালেদা জিয়া এখন কোথায়?

পরম বাংলাদেশ প্রতিবেদন
  • প্রকাশ : রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৩২ Time View

মজুচৌধুরীরহাট (লক্ষ্মীপুর): নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি পদ্মা সেতু, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করছেন। পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান। ষড়যন্ত্রকারিদের দাঁতভাঙ্গা জবাব। সমালোচনাকারি ড. ইউনুস ও খালেদা জিয়া এখন কোথায়?’

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) লক্ষ্মীপুরে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর নৌপথের ২৫ কিলোমিটারের খনন কাজের উদ্বোধন উপলক্ষ্য আয়েজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ পুনরুদ্ধারের মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে, দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ ও প্রাজ্ঞ রাজনীতির কারণে করোনাকে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি।’

বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল, নৌপরিবহন মমন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রফিক আহম্মেদ সিদ্দিকী, জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল, পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ গোলাম ফারুক পিংকু এবং সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন।

প্রসঙ্গত, ঢাকা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল এবং ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে ফেরিসহ নৌ যোগাযোগ দ্রুত ও নিরাপদ করতে মেঘনা নদীর লোয়ার অংশে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমণীমোহন ইউনিয়নের মজুচৌধুরীরহাট সংলগ্ন এলাকার দক্ষিণ দিকের চ্যানেলের ২৫ কিলোমিটার নৌপথের খনন কাজ শুরু হয়েছে। খনন কাজটি সম্পন্ন হলে ভোলা-লক্ষ্মীপুর এবং ঢাকা-লক্ষ্মীপুর উভয় নৌপথের দুরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার কমবে। ঢাকা হতে লক্ষ্মীপুরে যাত্রীবাহী লঞ্চ ছয় ঘন্টায় যেতে পারবে। বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী এবং মেঘনা (লোয়ার) নদীর ওপর দিয়ে ঢাকা হতে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত নৌপথের দুরত্ব ১২৫ কিলোমিটার। মেঘনা (লোয়ার) নদীতে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীরহাট সংলগ্ন এলাকায় কিছু স্থানে নাব্যতা সংকট রয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) মেঘনা (লোয়ার) নদীর ওই চ্যানেলে ২৫ কিলোমিটার নৌপথ খনন করবে। ২২০ ফুট প্রসস্থ ও ১০ ফুট গভীরতায় এ নৌপথ খনন করা হবে। এ বছরের ডিসেম্বরে শুরু হয়ে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে খনন কাজ শেষ হবে। দু’বছরে ৩১ লাখ ঘনমিটার খনন কাজে ব্যয় হবে প্রায় ৫০ কোটি টাকা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড এবং বিআইডব্লিউটিএ এর নিজস্ব ড্রেজার দিয়ে খনন কাজ সম্পন্ন করা হবে।

Share This Post

আরও পড়ুন