শিরোনাম
সিভাসুর বিভিন্ন সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা ১৫ জুন থেকে অনলাইনে কবিতা: আমার আমি । ইমতিয়াজ মাহমুদ নাঈম পরিকল্পিতভাবে ভাইকে ফাঁসানোর আগেই র‌্যাবের হাতে ধরা করোনাকালে ঈদুল ফিতরে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের করনীয় মোমেনবাগ ক্লাবের উদ্যোগে দুস্থ পথচারীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মুরাদপুরে রক্তাক্ত গন্ডামারা: এক । শুরু থেকেই স্থানীয়রা এস আলম গ্রুপকে অবিশ্বাস করতে থাকে সিএমপির সন্ত্রাসী তালিকায় আবুল হাসেম বক্কর ও হাসান মুরাদ; যুবদলের নিন্দা ও প্রতিবাদ ফেনীতে ইসলামী হোমিওরিসার্চ সেন্টারের ৪১ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৩; নতুন সনাক্ত এক হাজার ২৩০ জনের উপায়-এ সবচেয়ে কম খরচে এটিএম ক্যাশ আউট
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

পটিয়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচে এক হাজার ১৫৮ কোটি টাকার প্রকল্প

মোহাম্মদ আলী / ৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

পটিয়া, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচে একটি প্রকল্প মঙ্গলবার (৪ মে) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহি কমিটি (একনেক)।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রকল্প এলাকার গুরুত্বপূর্ণ খালগুলোর পানি নিষ্কাশন ও ধারণ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে ফসল উৎপাদনের নিবিড়তা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। দুই দশমিক ৯৫০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ, ২৫ দশমিক ৫১ কিলোমিটার বাঁধ ও চার দশমিক দশ কিলোমিটার ফ্লাড ওয়াল নির্মাণ করার মাধ্যমে নদীর ভাঙ্গন রোধ করে আগাম বর্ষায় আকস্মিক বন্যা ও মৌসুমী বন্যা হতে প্রকল্প এলাকার প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির ফসল রক্ষা করা সম্ভব হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নেওয়া এবং কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি হতে ২০২৪ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নকালে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ১৫৮ কোটি ৩৬ লাখ। যা সম্পূর্ণ সরকারী অর্থায়নে ব্যয় হবে।

এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল- পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ করার মাধ্যমে পটিয়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ খালগুলোর পানি নিস্কাশন ও ধারণ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে ফসল উৎপাদনের নিবিড়তা ১৯৪ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ২৩০ দশমিক ৫৪ শতাংশে উন্নীতকরণ, ১১টি খাল ৩০ দশমিক ২০ কিলোমিটার পুনঃ খনন করে খালের পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, প্রস্তাবিত পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামোগুলো নির্মাণ করার মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে প্রায় তিন হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান করা, দুই দশমিক ৯৫০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ, ২৫ দশমিক ৫১০ কিলোমিটার বাঁধ ও চার দশমিক ১০০ কিলোমিটার ফ্লাড ওয়াল নির্মাণ করার মাধ্যমে নদীর ভাঙ্গন রোধ করে আগাম বর্ষায় আকস্মিক বন্যা ও মৌসুমী বন্যা হতে প্রকল্প এলাকার প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল রক্ষাকরণ, চান্দখালী নদীর উপর ৮০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং দুই মিটার প্রস্থের একটি পথচারী সেতু নির্মাণ করার মাধ্যমে খানমোহনা এবং ধলঘাট স্টেশনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে সারা বছর সেচ কার্যক্রম চালু রেখে রবি, খরিফ ও বোরো ফসল উৎপাদন নিশ্চিত করা, বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মিঠা পানির মাছ চাষ বৃদ্ধি করা এবং খাল পুনঃখননের মাধ্যমে প্রাকৃতিক মাছের মাইগ্রেশন সহজ করাসহ এলাকাটির বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য রক্ষা করা।

এ প্রকল্পের অধীনে প্রধান প্রধান কাজগুলো হল- নদী তীর সংরক্ষণ কাজ দুই দশমিক ৯৫ কিলোমিটার, খাল পুনঃখনন ৩০ দশকি ২০ কিলোমিটার, বাঁধ নির্মাণ ২৫ দশমিক ৫১ কিলোমিটার, সেচ অবকাঠামো নির্মাণ ২৬টি, ফ্লাড ওয়াল নির্মাণ চার দশমিক ১০ কিলোমিটার, সেতু নির্মাণ একটি (দৈর্ঘ্য ৮০ মিটার প্রস্থ দুই মিটার), ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্রয় ৫৮ দশমিক ৯৩ হেক্টর

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ