সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন

নিরবচ্ছিন্ন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা: তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে ব্যয় হবে ৬৯৩ কোটি টাকা, একনেকে পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৯২ Time View

ঢাকা: দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদানে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনে ব্যয় হবে ৬৯৩ কোটি টাকা।

এ লক্ষ্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গৃহীত একটি নতুন প্রকল্প মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) একনেকে অনুমোদন হয়েছে।

‘বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন’ শীর্ষক এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।

এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো হিসেবে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেম স্থাপন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সুবিধা সম্প্রসারণ ও সহজীকরণে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূতে জানা যায়, ২০২০ সালের অক্টোবর হতে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছর নয় মাস মেয়াদী এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯৩ কোটি ১৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৩৯২ কোটি ৩৩ লাখ ৬৭ হাজা টাকা এবং বিএসসিসিএল নিজস্ব ব্যয় ৩০০ কোটি ৮৩ লাখ চার হাজার টাকা।

এ প্রকল্পের এলাকা সিঙ্গাপুর হতে ফ্রান্স পর্যন্ত সংযুক্ত সি-মি-উই-৬ সাবমেরিন ক্যাবলটি ভারত মহাসাগর, আরব সাগর, লোহিত সাগর হয়ে ভূ-মধ্য সাগর অবধি বিস্তৃত হবে। ক্যাবলটির কোর ল্যান্ডিং স্টেশন হবে সিঙ্গাপুর, ভারত, জিবুতি, মিশর ও ফ্রান্সে। বাংলাদেশের ব্রাঞ্চটি বঙ্গোপসাগর হয়ে কক্সবাজারস্থ ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩ হাজার ২৭৫ কিলোমিটার কোর সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন, ১ হাজার ৮৫০ কিলোমিটার ব্রাঞ্চ সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন, যন্ত্রপাতি স্থাপনপূর্বক লাইট আপকরণ, সিংগাপুর ও ফ্রান্স ল্যান্ডিং স্টেশনে ক্যারিয়ার নিউট্রাল পিওপি পর্যন্ত ল্যান্ড ক্যাবল সংযোগ স্থাপন, ডাটা সেন্টারের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক কাজ, একটি ৫০০ কেভিএ স্ট্যান্ড বাই-ডিজেল জেনারেটর স্থাপন, স্বয়ংক্রিয় অগ্নি নির্বাপণ সিস্টেম স্থাপন এবং শীততাপ নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম, যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য ভবন এবং একটি আন্তর্জাতিক মানের রেস্ট হাউজ নির্মাণ (২ হাজার ৪২৮ বর্গফুট দো-তলা বিশিষ্ট (নীচ তলা খালি) ফাংশনাল বিল্ডিং নির্মাণ এবং ২ হাজার ৫৯৫ বর্গফুট তিন-তলা বিশিষ্ট রেস্ট হাউস নির্মাণ) করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন বলছে, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশব্যাপী আধুনিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানসহ বর্ধিত চাহিদা পূরণে বিএসসিসিএলের সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

Share This Post

আরও পড়ুন