ঢাকাসোমবার, ৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেশের জনগণ সরকারের আজগবী প্রলাপ বিশ্বাস করে না

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
মার্চ ২৫, ২০২১ ২:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা। শহীদ জিয়াই চট্টগ্রামের এ বিপ্লব উদ্যান থেকে উই রিভোল্ট বলে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। রাজনীতিবিদ, গবেষক সবাই একে শুধু স্বীকারই করেন না, তারা এটা শ্রদ্ধার সাথে স্বরণও করেন। শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী করেন না। ইতিহাস গবেষণা করে শেখ হাসিনার কেবিনেটের বিশেষ ব্যক্তিদেরও গবেষণায় এবং স্মৃতিচারণে মেজর রফিকুল ইসলামের বইতে, একে খন্দকারের বইতে স্পষ্টভাবে জিয়াউর রহমানের বিষয় উঠে এসেছে। সুতরাং শেখ হাসিনার তো কিছুই বলার নেই। তাই প্রতিদিন জিয়ার বিরুদ্ধে বানানো মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন।’

তিনি বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বিকালে ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগরের জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন।

পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী শুরুর আগে পুলিশ বিনা কারণে ফোরামের নেতৃবৃন্দের হাত থেকে ফুল, জাতীয় পতাকা ও ব্যানার কেড়ে নেয়। বিপ্লব বেদীতে ফুল দিতে বাধা প্রদান করে নেতাকর্মীদের উপর তেড়ে আসে।

এ সময় শাহাদাত বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার যত বার তাদের অপকর্মের জন্য জাতির সামনে অপদস্ত হয়েছে, তত বার তারা জিয়া পরিবারকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছে। জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনায় ওঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু দেশের জনগণ সরকারের এ সমস্ত আজগবী প্রলাপ বিশ্বাস করে না। এ সরকার যা বলে, জনগণ তার উল্টা ভাবে। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারকে মিথ্যবাদী, দুর্নীতিবাজ, ভোট ডাকাত, সন্ত্রাসী, মফিয়াদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়দাতা মনে করে।’

তিনি নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সরকারের পতনের আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান শুধু একজন সেক্টর কমান্ডারই ছিলেন না, তিনি ছিলেন রণাঙ্গনের বীর সেনানায়ক। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন বলেই আমরা স্বাধীন একটি রাষ্ট্র পেয়েছি। স্বাধীনতা পরবর্তী শেখ মুজিবুর সরকারই তাকে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বীর উত্তম খেতাব দিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার তাদের অপকর্মের দিক থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের অপচেষ্টা করছে। যতদিন বাংলাদেশের পতাকা থাকবে, তত দিন শহীদ জিয়া বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে অমর হয়ে থাকবেন।’

নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব বেলায়েত হোসেন ঢালীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগর নাগরিক ঐক্যের (মান্না) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন।

বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য বেলায়েত হোসেন, মহানগর বিএনপির সদস্য মো. কামরুল ইসলাম, এ্যাব চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক সেলিম, মো. জানে আলম, নারী ও শিশু ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, মো. ইদ্রিস আলী, সংগঠনের মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক এম মনজুর উদ্দিন চৌধুরী, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য লায়ন ওহিদুল ইসলাম শিকদার প্রমুখ।

প্রেস বার্তা

Facebook Comments Box