রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন

তারকা ওসি মহসিনকে কি কাজে লাগাচ্ছেন শৈবাল দাশ?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩২৯ Time View

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের তারকা পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন। কোতোয়ালী থানার এ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহসিন নামেই বেশি পরিচিত ও আলোচিত।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) জামাল খান ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমনও তারকা খ্যাতিতে পিছিয়ে নেই। নিজ ওয়ার্ডে সৌন্দর্য্যবর্ধন কাজের মাধ্যমে নজর কেড়েছেন নগরবাসী।

এবার একজোট হতে যাচ্ছেন এ দুই জনপ্রিয় ব্যক্তি।

কিশোর ও তরূণদের বিপথে গমন রুখতে মাঠে নামছেন শৈবাল দাশ। তরূন প্রজন্মকে কাউন্সিলিং করার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন তিনি। আর এ উদ্যোগে ওসি মহসিনকে কাজে লাগাতে চান সুমন।

ওসি মহসিনকে কি কাজে লাগাতে চান শৈবাল?

‘আমি আমার নির্বাচনী এলাকা আমাদের জামাল খান ওয়ার্ডে যে সব পারিবারে বিপদগামী কিশোর ও তরুণ রয়েছে, তাদের বাসায় বাসায় গিয়ে অর্থাৎ ডোর টু ডোর কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে তাদের সঠিকভাবে পরিচালনা করার প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছি। আর এই কাজে আমাকে সহযোগিতা করবেন ওসি মোহাম্মদ মহসিন ভাই।’ নিজের ফেসবুক একাউন্ট থেকে পোস্ট করে বললেন শৈবাল দাশ সুমন।

এ কাজে ওসি মহসিনকে লাগানোর পিছনে সুমনের যুক্তি হলো- অন্ধকার জগতের মানুষকে যিনি (ওসি মহসিন) আলোর পথ দেখিয়েছেন, তার চেয়ে বেশি আর কেউ জানবে না যে, কিভাবে আলোর পথ খুঁজে নিতে হয়। আর তাই তাকে নিয়েই আমার এই নতুন অধ্যায়ের শুভ সূচনা করতে যাচ্ছি।

অবশ্য এ কাজ শুরুর আগে কিশোর অপরাধ রোধে কিছু সুপারিশ করেছেন সুমন।

‘কিশোরদের আবেগ ও মানসিক বিকাশে যত্নবান হতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র শিশু কিশোরদের জন্য সুশিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশে পিতামাতাকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে সন্তানের ভালো ও মন্দলাগাকে বিচার করতে হবে। কিশোরদের সুষ্ঠু সামাজিকীকরণের জন্য গঠনমূলক পারিবারিক, সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও দেশে পর্যাপ্ত কিশোর অপরাধ সংশোধন কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমগুলো শিশুর মানসিক বিকাশের উপযোগী কার্যক্রম ও অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে।’

এ দিকে শৈবাল দাশের নতুন এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তার পরিচিতজনেরা।

তারা বলছেন, ‘এটা সময়োপযোগী কাজ এবং একটি ভালো উদ্যোগ। সব ওয়ার্ডে এ রকম উদ্যোগ কাউন্সিলবৃন্দরা নিতে পারেন। কিছু সম্ভ্রান্ত পরিবারের কিশোর ও তরুণ আছে, যারা প্রকাশ্যে না হলেও কৌশলে চাঁদাবাজি করে। এদেরকে নিয়ে যদি কিছু করা যেত, তাহলে অনেক ব্যবসায়ীর উপকার হত।’

এ উদ্যোগের স্থায়ীত্ব ও সফলতা কামনা করছেন সুমনের মঙ্গলপ্রার্থীরা।

Share This Post

আরও পড়ুন