শিরোনাম
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০১:১৩ অপরাহ্ন

টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে দ্রুতই ‘গ্রীণ বন্ড’ বাজারে আনবে বিএসইসি

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১

ঢাকা: বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটে (বিআইসিএম) ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ২০২১’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। ৬ ও ৭ এপ্রিল এ সম্মেলনটি চলবে। কোভিড পরিস্থিতির কারণে সম্মেলনটি ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবায়াত- উল – ইসলাম। অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্লোবাল গ্রীন গ্রোথ ইন্সটিটিউটের ডিরেক্টর জেনারেল ফ্রাঙ্ক রিজবারম্যান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মফিজ উদ্দীন আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মঈন। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তার।

অধ্যাপক শিবলী রুবায়াত উল ইসলাম বলেন, ‘সব সূচকেই বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন আগের চেয়ে ভালো করছে। স্বাধীনতার প্রথম ৩০ বছরে আমরা আশানুরূপ উন্নতি করতে পারিনি। তাই এখন আমাদের দ্বিগুণ গতিতে এগুতে হবে। এ ধরণের সম্মেলন থেকে যে সব অ্যাকশন প্ল্যান আসবে, তা নিয়ে আমাদের কাজ করে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দ্রুতই ‘গ্রীণ বন্ড’ বাজারে নিয়ে আসবে।

অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকগুলো স্বল্প মেয়াদী অর্থায়নের ব্যবস্থা করে। তাই পুঁজিবাজারই হল দীর্ঘ মেয়াদী অর্থায়নের মূল ভরসা। মার্কেটের দক্ষতা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে গুড ডিসক্লোজার (good disclosure) এর ব্যবস্থা করতে হবে। ভালো প্রতিষ্ঠানকে মার্কেটে আনতে প্রতিযোগিতামূলক প্রাইসিং নিশ্চিত করতে হবে।

একইসাথে টেকসই অর্থনীতির জন্য ফাইন্যান্সিয়াল রিপোটিং এবং কর্পোরেট গর্ভনেন্স এর উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরো বলেন, ‘দেশে দীর্ঘ মেয়াদি অর্থায়নের উৎস ইনস্যুরেন্স এবং পেনশন ফান্ড দুর্বল, তাই এক্ষেত্রে আমাদের জোর দেয়া উচিত ‘

ফ্রাঙ্ক রিজবারম্যান বাংলাদেশে গ্রীণ বন্ডের ইনেশিয়েটিভকে স্বাগত জানান। তিনি এ দেশে গ্রীন ফাইন্যান্সিংকে জোরদার করতে গ্রীণ প্রজেক্ট গুলোতে রিসার্চ এন্ড ডেভলপমেন্ট (আরএন্ডডি) উপর গুরুত্বারোপ করেন।

মফিজ উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদের স্বল্পতা রয়েছে। কিন্তু মানব সম্পদ রয়েছে। এ উভয় সম্পদের সমন্বয়ের মাধ্যমে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে হবে।’

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মঈন বিভিন্ন সেক্টরে সাস্টেইনেবিলিটির প্রভাব ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘রানা প্লাজা ধ্বসের ঘটনার পর বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের মধ্যে সাস্টেইনেবিলিটির বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হয়েছে।

দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে সারা বিশ্ব থেকে যোগ দিচ্ছেন টেকসই অর্থায়ণ ও বিনিয়োগ বিষয়ে পৃথিবীর ৩২ জনেরও বেশি খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, পেশাজীবী, মার্কেট স্টেকহোল্ডার্স, নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ কর্তা ব্যক্তিসহ আরো অনেকে।

নিউজ রিলিজ

 

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ