বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৩:২৭ অপরাহ্ন

জলাবদ্ধতা ও বেহাল সড়ক নিয়ে দুঃসংবাদ দিলেন চসিকের নতুন মেয়র রেজাউল

পরম বাংলাদেশ প্রতিবেদন
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৮৭ Time View

চট্টগ্রাম: আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও বর্তমানের বেহাল সড়ক নিয়ে দুঃসংবাদ দিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নতুন মেয়র মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘আসন্ন বর্ষায় চট্টগ্রাম নগরীতে পানির ওভার ফ্লু হবে এবং বর্তমানে বেহাল সড়কগুলো মেরামতের জন্য পর্যাপ্ত বিটুমিন চসিকের কাছে নেই।’

মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে (টিআইসি) অনুষ্ঠিত চসিকের ষষ্ঠ পরিষদের প্রথম সাধারণ সভায় নতুন মেয়র এ সব কথা বলেন।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে রেজাউল করিম বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে সামরিক বাহিনীর তত্বাবধানে ছয় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের হচ্ছে। এ প্রকল্পের ৪০ ভাগের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে চাক্তাই খালসহ বিভিন্ন খালে কিছু স্থানে বাঁধ দেয়ায় পানি চলাচল রুদ্ধ হয়ে গেছে। তাই বর্ষা মৌসুমে ওভার-ফ্লো হতে পারে। এ কারণে এ বছরও জলাবদ্ধতা মুক্ত হওয়া যাবে না।’

তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ নিয়ে কিছু প্রশ্ন আছে বলে মন্তব্য করে বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন বিভাগের অনেকেই আছেন, যারা হাজিরা দেন কিন্তু কাজে নেই। কোন স্তরে কত জনবল আছে তা জানতে হবে এবং কারা কি কাজ করছে, কর্ম ঘন্টা কতক্ষণ তা যাচাই-বাছাই করে এ বিভাগকে ঢেলে সাজানো হবে। কেননা সিটি কর্পোরেশনের একটি টাকাও অপচয় করা যাবে না।’

রেজাউল করিম আরো বলেন, ‘মশা নিধনে যে ওষুধ ছিটানো হয়, তাতে কাজ হচ্ছে না বলে অভিমত রয়েছে। নগরীর বেহাল সড়কগুলো মেরামত করতে যে পরিমাণ বিটুমিন দরকার, সে পরিমান মজুদ নেই।’

তিনি কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘ঠিকাদাররা ওয়ার্ডে যে কাজগুলো করছে, তা যাচাই-বাছাই করে দেখতে হবে। কাজের মান কাউন্সিলররা বিচার করবেন। কাজের মান নিয়ে কাউন্সিলরদের ছাড়পত্র ছাড়া ঠিকাদাররা বিল পাবেন না।’

চসিকের স্বাস্থ্য খাত নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী থাকতে স্বাস্থ্য বিভাগের জৌলুস ছিল। মেমন হাসপাতালের প্রসূতি ভর্তির জন্য তদবির করতে হয়। এখন এখানে রোগি নেই। স্বাস্থ্য বিভাগে প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম নেই। বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবনগুলোর জীর্ণ দশা। কোন আরবান হেলথ কমপ্লেক্স স্বাস্থ্যের বাইরে অন্য অফিসে চলছে। এ আরবান হেলথ এডিপি প্রকল্পের অধীন এবং তাদের অনুদান নির্ভর। অনুদানের শর্ত অনুযায়ী স্বাস্থ্যের বাইরে আরবান হেলথ কমপ্লেক্সের স্থাপনা ব্যবহৃত হলে অনুদান বন্ধ হয়ে যাবে।’

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক।

ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফজলুল্লাহ, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার সেলিম আকতার চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জয়নাল আবেদিন, চসিকের অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোর্শেদসহ বিভিন্ন সরকারি ও সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

খবর পিআইডির

Share This Post

আরও পড়ুন