বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

ছোট-খাটো বিরোধ অল্প সময়ে স্বল্প ব্যয়ে দ্রুত নিস্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৪২ Time View

সীতাকুন্ড (চট্টগ্রাম): সীতাকুন্ড উপজেলায় গ্রাম আদালতের বিকেন্দ্রীকৃত, পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও মূল্যায়ন (ডিএমআইআই) পদ্ধতি বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সীতাকুন্ড উপজেলার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কোর্সের ভার্চুয়ালী উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার চট্টগ্রামের উপপরিচালক এজেডএম শরীফ হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সীতাকুন্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায়।

প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য়) পর্যায় প্রকল্পের চট্টগ্রাম ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর উজ্জ্বল দাস চৌধুরী ও জেলা সমন্বয়কারী সাজেদুল আনোয়ার ভূঁঞা ।

প্রশিক্ষণে সীতাকুন্ড উপজেলার গ্রাম আদালত প্রকল্পভূক্ত বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেহান উদ্দীন, মুরাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহেদ হোসাইন নিজামী, বাড়বকুন্ড ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছাদাকাত উল্লাহ মিয়াজী, ভাটিয়ারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন, সোনাইছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির আহম্মেদ, বাঁশাবাড়িয়া ইউনিয়েনের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সেলিম উদ্দিনসহ ছয়টি ইউনিযনের সচিব ও গ্রাম আদালত সহকারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এজেডএম শরীফ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের সব ইউনিয়নে পরিচালিত গ্রাম আদালতের কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের সুনির্দষ্ট নীতিমালার প্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান প্রতি ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে পাঠাবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউনিয়ন হতে প্রাপ্ত প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করে ২০ তারিখের মধ্যে উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার বরাবরে পাঠাবেন। উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার ৩০ তারিখের মধ্যে ওই প্রতিবেদন মহাপরিচালক ও সচিব স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাবেন। অনুলিপি হিসেবে জেলা প্রশাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বরাবরে প্রেরণ করবেন।’

সভাপতির বক্তব্যে মিল্টন রায় বলেন, ‘স্থানীয় ছোট-খাটো বিরোধ বিবাদ স্থানীয়ভাবে অল্প সময়ে স্বল্প খরচে দ্রুত নিস্পত্তির জন্য সরকারের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রাম আদালত। ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তির এ উদ্যোগ জেলা আদালতে মামলার জট কমাতে যেমন ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে, তেমনি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বিশেষত অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া মানুষের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছে। জনগনের দোর গোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছানো ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সরকারী ঘোষণার এক অনন্য দৃষ্টান্ত গ্রাম আদালত।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

Share This Post

আরও পড়ুন