শিরোনাম
পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৮০০ পিস আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম’র আইটি বিশেষজ্ঞ গ্রেফতার চট্টগ্রামে সাদার্ন ইউনিভার্সিটিতে দুই মাসব্যাপী আন্তঃবিভাগ বির্তক প্রতিযোগিতা শুরু নাভানাসহ সীতাকুণ্ডের সব কারখানায় ঈদুল আজহার আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দাবি পরিবেশ বিষয়ক গল্প : মন পড়ে রয় । নাজিম হোসেন শেখ পিএইচপি অটো মোবাইলসের তৈরি অ্যাম্বুলেন্স উপহার পেল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সোতোকান কারাতে স্কুল চট্টগ্রামের কারাতে বেল্ট প্রতিযোগিতা সম্পন্ন
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৫:২০ অপরাহ্ন

চসিক নির্বাচন: বিএনপির রাজনীতি একটি ঘরোয়া রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে

মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন / ১১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২১
জসিম উদ্দিন

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইভিএমে অটো ভোট’ ভোটারকে কষ্ট করে ভোট দিতে হয় নি, বুথে অদৃশ্য হাতে ইভিএমে ভোট দেওয়া জনগণ প্রত‍‍্যক্ষ করেছিল। কষ্ট করে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে আঙ্গুলের ছাপ নিশ্চিত হওয়ার পর চট্টগ্রামে ইভিএমে ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নি। যদিও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছিল!

ইতিমধ্যে নির্বাচনের প্রতিহিংসার রাজনীতিতে দলীয় কোন্দলে দলীয় লোক খুন হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচনে জনগণ কি ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবে? জনগণকে যেভাবে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, মনে হয় না ভোটাররা স্বতস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবে?

ভোট জনগণের একটি মৌলিক ও নাগরিক অধিকার। এই অধিকার অনেক আগেই ক্ষুণ্ন হয়েছে। মনে হয়, চট্টলাবাসী ভোটার বিহীন ‘অটো নগর পিতা’ বা ‘অটো মেয়র’ দেখতে যাচ্ছে। দেশের দূর্যোগময় করোনাকালীন। অন্য দিকে, ভোট প্রয়োগে অনিশ্চিয়তা। সরকার আন্তরিক হলে চট্টলাবাসী তাদের গণতান্ত্রিক স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগে সত্যিকার নির্বাচিত ‘নগর পিতা’ পাবে।

চট্টগ্রামে বিএনপি রাজনীতি একটি ঘরোয়া রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রামের বিএনপির নেতারা আপাত দৃষ্টিতে জনগণের কাছে ভোট, মিছিল ও নেতারা খাওয়া-দাওয়া আপ্পায়ণের সেলফি ফেসবুকে দিচ্ছে। চট্টগ্রামে বিএনপির দলীয় নেতা কর্মীরা ভোট কেন্দ্রে ভোটারকে ভোট দিতে নিশ্চয়তা দিতে পারবে নাকি তারাও ভোটের দিন বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকবে?

জনগণের কাছে ভোট ভিক্ষা চাওয়ার চেয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে নিরাপত্তার মাধ্যমে ভোটারদেরকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে হবে। সর্বক্ষণ ভোটের দিন ভোট গনণা ও ফল প্রকাশ পর্যন্ত পাহারাদারের ভূমিকায় থাকতে হবে।

চট্টলাবাসী চায়, চসিক নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট প্রদানের মাধ্যমে সত্যিকারের নগর পিতা নির্বাচিত হউক। সকলে আন্তরিক হলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া সম্ভব। নয়তো অটো ভোটে ‘নগর পিতা’ ও ‘কাউন্সিলর’ নির্বাচিত হবে

আমরা চট্টলাবাসী স্বতস্ফূর্তভাবে উৎসব মুখর পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্ভয়ে নিরাপত্তার মাধ্যমে নিজের ভোট নিজেই দিব, ‘নগর পিতা’ নির্বাচন করব। এটাই আমাদের নির্বাচনী স্লোগান হউক।

লেখক: এডভোকেট,
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট অ্যান্ড জর্জ কোর্ট চট্টগ্রাম

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ