শিরোনাম
এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ গ্যালাক্সি এম০২ হ্যান্ডসেটে ১০০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়্যারেন্টি দিচ্ছে স্যামসাং বাঁশখালীতে গুলি করে শ্রমিক হত্যা; সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট চট্টগ্রামের তীব্র নিন্দা আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিতকরণ প্রভাব ফেলছে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ ও অন্য মেগা প্রকল্পে বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে শ্রমিক নিহতে খেলাফত মজলিসের নিন্দা বীমা খাতে প্রথম ‘তিন ঘন্টায় কোভিড ক্লেইম ডিসিশন’ সার্ভিস চালু মেটলাইফের মুজিবনগর সরকারের ৪০০ টাকার চাকুরে জিয়ার বিএনপি ইতিহাসকে অস্বীকার করতে চায় ধারাবাহিক ছোট গল্প: পতিতার আলাপচারিতা । পর্ব পাঁচ এস আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক হত্যার নিন্দা ও বিচার দাবি সাতকানিয়ায় সোয়া কোটি টাকার ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ ট্রাক চালক ও হেলপার গ্রেফতার
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম সব সময় জাপানী বিনিয়োগকারীদের পছন্দের স্থান

পরম বাংলাদেশ প্রতিবেদন / ৭৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রাম: দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই), ঢাকাস্থ জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটো) এবং জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে (জেবিসিসিআই) ‘সেলিব্রেটিং ফিফটি ইয়ারস অব জাপান-বাংলাদেশ ইকনোমিক ফ্রেন্ডশীপঃ প্ল্যানিং ফর নেক্সট টেন ইয়ারস (২০২১-২০৩০) অব প্রাইভেট সেক্টর কোঅপারেশন’ শীর্ষক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

রোববার (২২ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটির আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং জেটোর ঢাকাস্থ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিটিভ ও জেবিসিসিআই সভাপতি ইউজি অ্যান্ডো এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি জাপানকে বাংলাদেশের অকৃত্রিম ও দীর্ঘদিনের বন্ধু রাষ্ট্র উল্লেখ করে বলেন, ‘উভয় দেশের মধ্যে আগামী দিনের দ্বিপাক্ষিক অধিকতর অর্থনৈতিক সম্পর্কোন্নয়নে এই সমঝোতা স্মারক সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে। প্রাইভেট সেক্টর দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। বেসরকারি খাতে সহযোগিতার লক্ষ্যে ১০ বছরের একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন অত্যাবশ্যক। আগামী ২০২১-২০২২ সালে বে অব বেঙ্গল গ্রোথ সামিট আয়োজন বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের মাধ্যমে চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশকে ভবিষ্যৎ এশিয়ার প্রধান বিনিয়োগ কেন্দ্রের পরিণত করবে।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন, ‘দুই দেশের বন্ধুত্বের সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে ঐতিহাসিক এই সমঝোতা স্মারক সম্পর্কোন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর দু’দেশের বন্ধুত্বের নিদর্শন বা ফ্ল্যাগশীপ প্রজেক্ট। বাংলাদেশের মানুষ এখন জাপানের কাছ থেকে পণ্যের কোয়ালিটি সম্পর্কে জানতে অনেক বেশী আগ্রহী যা ইতিবাচক।’

জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই চুক্তি ব্যবসায় ও বিনিয়োগে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য অধিকতর বৃদ্ধি করবে। বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে জাপানী কোম্পানিগুলো এদেশে ব্যবসায়ে আগ্রহী।

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাপানকে বাংলাদেশের জন্য রোল মডেল হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং যমুনা ব্রীজ নির্মাণের পরিকল্পনা করেন। জাপান থেকে বাংলাদেশের বেসরকারি খাত রেগুলেটরী প্রসেস, প্রতিযোগী সক্ষমতা ও উন্মুক্ত অংশগ্রহণ ইত্যাদি বিষয় শিখতে পারে। কার্যকর সহযোগিতার ক্ষেত্রে চিটাগাং চেম্বার নতুন দিনের সূচনা করবে।’

প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, ‘এই স্মারক ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নির্দেশক। জাপানীদের ন্যায় প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার সততা এবং স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে জাপানের অবদান অপরিসীম। ২০১০ সালে চিটাগাং চেম্বার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টোকিওতে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সেন্টার স্থাপন করে। যার ফলে চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশে জাপানী বিনিয়োগ ত্বরান্বিত হয়। এই সমঝোতার আওতায় আগামী দিনগুলোতে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কোন্নয়নের ক্ষেত্রে কাংখিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।’

জেটোর ঢাকাস্থ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিটিভ ও জেবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট ইউজি অ্যান্ডো বলেন, ‘শুধু স্বাধীনতা উত্তর নয়, স্বাধীনতার পূর্বেও চট্টগ্রামে জাপানী বিনিয়োগ এসেছিল। কাজেই চট্টগ্রাম সব সময় জাপানী বিনিয়োগকারীদের পছন্দের স্থান। বিশ্ব মহামারীর পরও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়ন এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে এখনই উপযুক্ত সময়।’

এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, ‘জাইকার সমীক্ষা অনুযায়ী এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের মুনাফা সর্বোচ্চ। তাই বাংলাদেশ বিনিয়োগের আদর্শ স্থান।’

জেবিসিসিআই সহ -সভাপতি শরিফুল আলম বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ