ঢাকাবৃহস্পতিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চট্টগ্রাম বন্দরে ৭ বছর পর আসছে ১০ টনের মোবাইল ক্রেন, দরপত্রে বিদেশী চার প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নভেম্বর ২৫, ২০২০ ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রাম: পরিমাণ ও ওজনে কম-এমন পণ্য লোড করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে আবারো আনা হচ্ছে সবচেয়ে ছোট মোবাইল ক্রেন।

যন্ত্রপাতির পর্যাপ্ততা নিশ্চিতকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় সাত বছর পর যুক্ত হতে যাচ্ছে দশ টন ক্ষমতাসম্পন্ন মোবাইল ক্রেন।

এর আগে ২০১৪ সালে দশ টন ক্ষমতার দশটি মোবাইল ক্রেন কিনেছিল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)। সেবার এ সব ক্রেন সরবরাহের কাজ পেয়েছিল জার্মানির সেনেবুগান।

এবার চবকের প্রায় ৭০ কোটি টাকার ১০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ২৩টি মোবাইল ক্রেন ক্রয়ের দরপত্রে অংশ নিয়েছে চার প্রতিষ্ঠান।

‘চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড এবং টার্মিনালের জন্য প্রয়োজনীয় ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ’ প্রকল্পের আওতায় দশ টন ক্ষমতার ২৩ টি মোবাইল ক্রেন ক্রয়ের জন্য গত ১৫ সেপ্টেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চবক। বুধবার (২৫ নভেম্বর) ছিল দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, মোট চারটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিয়েছে। এগুলো হলো- ফ্রান্সের মেনিটোক ক্রেন গ্রুপ ফ্রেন্স এসএএস, তাদের দেশীয় এজেন্ট হলো ঢাকার এসেনশিয়াল ট্রেড লাইনস লিমিটেড এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ইউএসএ’র মেনিটোক; সিঙ্গাপুরের ইকমট্রেড হোল্ডিং (প্রা:) লিমিটেড, তাদের দেশীয় এজেন্ট ঢাকার দা রিজেন এনার্জি এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জাপানের কেটু ওয়ার্কস কোম্পানি লিমিটেড; জাপানের তাদানো লিমিটেড, প্রতিষ্ঠানটি নিজেই ক্রেন উৎপাদন করে, তাদের দেশীয় এজেন্ট চট্টগ্রামের কিংস শিপিং অ্যান্ড ট্রেডিং লিমিটেড এবং দরপত্রে অংশগ্রহণকারী চতুর্থি প্রতিষ্ঠানটি হলো জার্মানির সেনেবুগান ফেব্রিকস, এ প্রতিষ্ঠানটিও নিজেরাই ক্রেন তৈরি করে এবং তাদের লোকাল এজেন্ট হলো ঢাকার বাংলামার্ক করপোরেশন।

অর্থাৎ, মেনিটোক ইউএসএ’র যন্ত্রপাতি, ইকমট্রেড ও তাদানো জাপানের এবং সেনেবুগান জার্মানির যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে থাকে। এ চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বনিম্ন দরদাতা মোবাইল ক্রেনগুলো সরবরাহের কাজ পাবে।

তবে দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনক্রমে ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যুর প্রায় এক বছর পর ক্রেনগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে।

উল্লেখ্য, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড এবং টার্মিনালের জন্য প্রয়োজনীয় ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ’ প্রকল্পের মাধ্যমে আটটি গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ মোট ১০৪টি যন্ত্রপাতি কেনা হবে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে কার্গো/কনটেইনার হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্টের পর্যাপ্ততা ৭০ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশে উন্নীত হবে। এনসিটিতে গ্যান্ট্রি ক্রেনের চাহিদা শতভাগ পূরণ হবে। জাহাজের ওয়েটিং টাইম ৬০ ঘন্টা থেকে ৪৮ ঘন্টায় নেমে আসবে এবং তৈরি পোশাক খাতে পোর্ট লিড টাইম উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।

Facebook Comments Box