বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম বন্দরের দরপত্রে অনিয়ম: ইকম ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবাদ

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৮০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রাম বন্দরের ৭০ কোটি টাকার ১০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ২৩টি ক্রেন ক্রয় দরপত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটির প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছে ইকম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, ‘আন্দাজ ও অনুমান নির্ভর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি মিথ্যা ও বানোয়াট। একটি মহল ইকম ট্রেড হোল্ডিং, ইকম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও দি বাংলা মার্কের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের তরপরতা চালাচ্ছে। সেই মহলটি চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) ও দেশের বহু ক্ষতি সাধন করেছে। যা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। তারা আবার দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তাদের এমন কার্যকালাপে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ইকম ট্রেড হোল্ডিং, ইকম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও দি বাংলা মার্ক।’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবাদ লিপিতে আরো বলা হয়েছে, ‘চবক ১০টি মোবাইল ক্রেন ক্রয়ের জন্য টেন্ডার আহ্বান করে। পাঁচটি প্রতিষ্ঠান টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে। মূল্যায়ন কমিটি দুইটি প্রতিষ্ঠানকে রেন্সপন্সিভ হিসাবে মূল্যায়ন করেন। দুইটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইকম ট্রেড সর্বনিম্ন দরদাতা হিসাবে স্থান লাভ করেন। নৌ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে তারা নোটিফিকেশন্স এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতে ইকম ট্রেড পারফরমেন্স গ্যারান্টি দাখিল করে। তাদের ওই পিজিটা সঠিক আছে। এর প্রেক্ষিতে ইকম ট্রেডের সাথে তারা চুক্তি সম্পাদন করে। তারা যথা সময়ে মালামাল সরবরাহ করে যা পরিদর্শন করে সঠিক পাওয়া যায়। পরবর্তীতে দুদকের আইও এর মাধ্যমে জানতে পারেন ওই পিজিটা এর কোন রেকর্ড ব্যাংকে নাই। তা জাল। ইকম ট্রেড বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান। মামলার আসামী উক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মর্মে তিনি চিনেন। ব্যাংকের পত্রের বিষয়ে আসামীর সম্পৃক্ততা ছিলো না। চবকের ইকম ট্রেডের কার্য সম্পাদনে কোন ক্ষতি হয়নি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদেরকে পিজিটা জাল মর্মে কখনো কোন অভিযোগ করেনি। আসামীর প্রতিষ্ঠানের যে সময় সুনামের সাথে ব্যবসায় করছিলেন ও এখনো ব্যবসায় করছেন।
তিনি সাজেশান অস্বীকার করেন যে, ব্যাংক পত্রের মাধ্যমে পিজিটা সঠিক বিষয়ে
আসামীর যোগসাজসিক ছিল না। তদন্তকারী কর্মকর্তার অভিযোগপত্রে এবং আসামীর জেরায় উল্লেখ করেন যে, বিরোধীয় পারফর্মেন্স গ্যারান্টি দ্বারা আসামী বন্দর কর্তৃপক্ষের সুবিধা গ্রহণ করতে পারেননি তা মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায়। পরবর্তীতে ভিন্ন পারফর্মেন্স গ্যারান্টি দ্বারা ১০টি মোবাইল ক্রেন সরবরাহের কাজটি আসামী সম্পন্ন করেন এবং যা কার্যকর রয়েছে। যা হতে সুস্পষ্ট যে আসামী তর্কিত পারফর্মেন্স গ্যারান্টি দ্বারা কোন অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করেননি। অধিকন্তু অত্র মামলার এজাহারকারী, জব্দ তালিকাকারী এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা একই ব্যক্তি যা উচ্চ আদালতের নজির মতে পক্ষপাতদুষ্ট সাক্ষী। তর্কিত পারফর্মেন্স গ্যারান্টিটির অনুপস্থিতিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দোদুল্যমান সাক্ষ্য এবং পক্ষপাতদুষ্ট সাক্ষীর উপর বিশ্বাস করে কেবল অনুমানের ভিত্তিতে আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করা ন্যায় বিচার পরিপন্থি মর্মে আদালত মনে করে। প্রসিকিউশন যথাযথ ও গ্রহণযোগ্য তথ্য ও সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন না করায় আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি। সংগত কারণে আসামী অত্র মামলায় খালাস পাবার অধিকারী। প্রসিকিউশন আসামী মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম না হওয়ায় তাকে নির্দোষ সাব্যস্তে বর্ণিত অভিযোগের দায় হতে বেকসুর খালাম দেয় আদালত। আসামীর জামিনদারকের জামানতের দায় হতে অব্যাহতি প্রদান করে।’

চবক চেয়ারম্যানের বরাত দিয়ে প্রতিবাদলিপিতে ইকম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল বলছে, ‘বেশি সংখ্যক দরপত্র ক্রয়কারীদের সুপারিশে ৩০ মিটার বুমের পরিবর্তে ১৮ মিটার করা হয়েছে। যা ছোট বড় সকলে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে পারে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

add

আপনার মতামত লিখুন :

2 responses to “চট্টগ্রাম বন্দরের দরপত্রে অনিয়ম: ইকম ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবাদ”

  1. Nazrul Islam says:

    Good

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ