শিরোনাম
সিভাসুর বিভিন্ন সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা ১৫ জুন থেকে অনলাইনে কবিতা: আমার আমি । ইমতিয়াজ মাহমুদ নাঈম পরিকল্পিতভাবে ভাইকে ফাঁসানোর আগেই র‌্যাবের হাতে ধরা করোনাকালে ঈদুল ফিতরে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের করনীয় মোমেনবাগ ক্লাবের উদ্যোগে দুস্থ পথচারীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মুরাদপুরে রক্তাক্ত গন্ডামারা: এক । শুরু থেকেই স্থানীয়রা এস আলম গ্রুপকে অবিশ্বাস করতে থাকে সিএমপির সন্ত্রাসী তালিকায় আবুল হাসেম বক্কর ও হাসান মুরাদ; যুবদলের নিন্দা ও প্রতিবাদ ফেনীতে ইসলামী হোমিওরিসার্চ সেন্টারের ৪১ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৩; নতুন সনাক্ত এক হাজার ২৩০ জনের উপায়-এ সবচেয়ে কম খরচে এটিএম ক্যাশ আউট
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৪:৫১ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামে এক সময় পোশাক শিল্পের জৌলুস থাকলেও এখন নেই

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৯৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১

চট্টগ্রাম: বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘চট্টগ্রামে এক সময় পোশাক শিল্পের জৌলুস থাকলেও এখন নেই। আগে চট্টগ্রামে ৭০০ তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকলেও এখন তা ২৪০টিতে নেমে এসেছে।’

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সম্মেলন কক্ষে মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী সাথে সাক্ষাতকালে তিন এ কথা বলেন।

বিজিএমইএ’র সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি এমএ সালাম বলেন, ‘করোনা মোকাবেলায় এলাকা ভিত্তিক লকডাউন আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক শিল্পকে লকডাউনের আওতামুক্ত রাখলে অর্থনীতির চাকা সচল থাকবে।’

বিজিএমইএ’র প্রাক্তন সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘চট্টগ্রামের ব্যবসায় বান্ধব পরিবেশ রক্ষায় মেয়রের নেতৃত্বে একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি থাকা উচিত। এতে ব্যবসায় খাত গতিশীলতা পাবে ‘

প্রাক্তন পরিচালক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তুফান বলেন, ‘বিজেএমইএ ছিল চসিকের বিশ্বস্ত পার্টনার। সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন আমাদের অভিভাবক। তিনি আমাদের অনেক সমস্যা সমাধান করে দিতেন। বর্তমান মেয়রের কাছে আমরা অভিভাবকত্ব চাই।’

এ সময় রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম নগরীর জন্য অনেক কিছু দিতে চান এবং দিয়েছেনও। কিন্তু আমাদের মধ্যে চিন্তা ও কর্মের ঐক্য না থাকায় এবং সমন্বয়ের অভাবে চট্টগ্রামকে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক ও যুগোপযোগী নগরী হিসেবে সাজাতে ব্যর্থ হচ্ছি। যারা চট্টগ্রামের ভাল চান এবং ভাল স্বপ্ন দেখেন, তাদের পরামর্শ নিয়ে দল-মত-গোষ্ঠী নির্বিশেষে অভিন্ন প্লাটফর্ম তৈরি করে শিল্প ও ব্যবসায় বান্ধব নগরী গড়তে চাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘এক সময় চট্টগ্রাম ছিল ব্যবসায়-বাণিজ্যের মূল প্রাণকেন্দ্র। এখন তা আর নেই। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হলেও এতদসংক্রান্ত অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা নেই। ‘এই নেই আর নেই’-এটা আমাদের চিন্তা-কর্মের ঐক্য ও সমন্বয়হীনতার নেতিবাচক প্রতিফলের বিরূপ চিত্র। সবকটা সেক্টর ও ফ্যাক্টরকে এক জায়গায় জড়ো করে সম্মিলিত শক্তির সমন্বয় সাধন সম্ভব হলে চট্টগ্রামকে আর্ন্তজাতিক মানের নগরীতে পরিণত করা সম্ভব। ব্যবসায়-বাণিজ্য-শিল্প সংশ্লিষ্ট সকলকে এক জায়গায় আসতে হবে। তাই একা স্বপ্ন দেখলে চলবে না। তাই স্বপ্ন পূরণে চিন্তা ও কর্মের ঐক্যের বিকল্প নেই।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মোজাম্মেল হক, কাউন্সিলর নেছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি রফিকুল আলম চৌধূরী, পরিচালক এমডিএস মহিউদ্দিন চৌধুরী, এএম শফিউল করিম (খোকন), মোহাম্মদ হাসান (জেকি), এম এহসানুল হক, প্রাক্তন পরিচালক অঞ্জন শেখর দাস।

প্রেস বার্তা

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ