শিরোনাম
চট্টগ্রাম যন্ত্রশিল্পী সংস্থার সদস্যদের জন্য শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফের শুভেচ্ছা উপহার চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের সমন্বয় সভায় ট্রেনে যাত্রী সেবা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ নিংশ্বাসের বন্ধু’র প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রামে ১৬-১৭ জুন থিয়েটার থেরাপি প্রয়োগ বিষয়ক রিফ্রেশার্স ট্রেনিং চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

গঙ্গা-তিস্তার পানিবঞ্চিত বাংলাদেশে ফারাক্কা লংমার্চ এখনো প্রাসঙ্গিক

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৬ মে, ২০২১

ঢাকা: ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চ দিবস স্মরণে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি (আইএফসি) রোববার (১৬ মে) এক বিবৃতিতে ঢাকা ও দিল্লীকে উভয় দেশের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত ৫৪টি নদী বাঁচিয়ে রাখতে উৎস থেকে সাগর পর্যন্ত নদীগুলোর প্রবাহ বজায় রাখার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করার আহ্বান জানিয়েছে। বাঁধদিয়ে স্বপ্ল মেয়াদী সুবিধার জন্য নদীর গতি পরিবর্তন এ প্রাকৃতিক পানির উৎসগুলোকে মেরে ফেলছে।

১৬ মে ঐতিহাসিক লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এ দিনে বাংলাদেশের মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী রাজশাহী থেকে গঙ্গার উপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধ অভিমূখে আয়োজিত লংমার্চের নেতৃত্ব দেন। নদীর গতি একতরফা পরিবর্তনের ফলে ভাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশে গঙ্গা তখন শুকিয়ে গিয়েছিল।

বাংলাদেশের সাথে পরামর্শক্রমে ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে মোট ৪১ দিনের জন্য বাঁধটি চালু করা হয়েছিল। কিন্ত তখন থেকে একতরফা পানি প্রত্যাহার চলতে থাকে এবং বাংলাদেশে দেখা দেয় পরিবেশগত বিপর্যয়। লংমার্চের এক বছর পর শতকরা ৮০ ভাগ গ্যারান্টি ক্লজসহ ১৯৭৭ সালের পাঁচ বছর মেয়াদি পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

গঙ্গার পানি বন্টনের জন্য ৩০ বছর মেয়াদি দ্বিতীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৬ সালে। কিন্তু বাংলাদেশ এ চুক্তির ধারা অনুসারে পানি পাচ্ছে না। এ পর্যন্ত তিস্তাসহ অন্য যৌথ নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে একতরফা পানি প্রত্যাহার আরো অনেক বেড়েছে। কাজেই মাওলানা ভাসানীর ফারাক্কা লংমার্চের আবেদন এখনো ফুরিয়ে যায়নি।

মাওলানা ভাসানীর লংমার্চে অনুপ্রাণিত হয়ে আইএফসি ২০০৫ সালে চিলমারিতে ব্রহ্মপূত্র নদী পর্যন্ত লংমার্চের আয়োজন করে। সে উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে তিস্তাপাড়ের দশ লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেয়। পরের বছর আইএফসি টাঙ্গাইল জেলার ভূয়াপুরের গোবিন্দদাসি যমুনার চরে আরেক বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের উৎস নদী থেকে। কাজেই নদীর অব্যাহত প্রবাহের সাথে বাংলাদেশের জীবন মরণের প্রশ্ন জড়িত।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন আইএফসি নিউইয়র্কের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান সালু, মহাসচিব সৈয়দ টিপু সুলতান, আইএফসি বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ড. এসআই খান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইরফানুল বারী এবং আইএফসি সমন্বয়ক মোস্তফা কামাল মজুমদার।

প্রেস বার্তা

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ