মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০১:০০ অপরাহ্ন

কাপ্তাই হ্রদের সব মাছই মেলে এখানে, তরকারি বেড়ে দেন ‘শিল্পপতি’

মহসীন কাজী / ১২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

 

 

কোনো রকম একটা ‘ঝুপড়ি।’ ঘেরা বেড়াও জোড়াতালির। এটিই এখন রাঙামাটির কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকার সবচেয়ে’ ব্যস্ত খাওয়ার হোটেল।

সাইনবোর্ড নেই তবু্ও এটির নামডাক। কেউ বলেন বেড়ার হোটেল, কেউ বা বলেন মাস্টার হোটেল। অনেকেই চিনেন ড্রাইভার হোটেল হিসেবে।

হোটেলটিতে রান্নাঘর নেই। বলতে গেলে সেলস সেন্টার। রান্না-বান্না হয় মালিকের বাড়িতে।

কাপ্তাই হ্রদে যত ধরনের মাছ মেলে তার প্রায় সবগুলোই পাওয়া যায় এখানে। পাওয়া যায় দেশি মুরগির নানা পদ।

মূলতঃ সুস্বাদু টাটকা মাছ পাওয়া যায় বলেই মানুষ এখানে খেতে আসে। দামও নাগালের ভিতর। সাদা ভাত দিয়ে নানা পদের খাবার খাওয়ার জন্য দুপুর চারটা পর্যন্ত রীতিমতো লাইন ধরে।

কাপ্তাই বেড়াতে আসা পর্যটকদেরও টানে এই হোটেল। লোকজন কাপ্তাই গেলে খুঁজে খুঁজে খেয়ে আসেন সেখানে।

হোটেলটির মালিক ফয়েজ আহমেদ ফেনীর সোনাগাজীর বাসিন্দা। হোটেলের বর্ণনা শুনে তাকে যা মনে হবে, তিনি মোটেই তা নন। হোটেলের বিল নেয়ার দায়িত্বে থাকা ক্যাশিয়ারের ভাষায় ‘শিল্পপতি।’

একটু জানতে চাইতেই তিনি সংক্ষিপ্ত পরিসরে তুলে ধরেন সফেদ চেহারার শ্মশ্রুমন্তিত ষাটোর্ধ ফয়েজকে। সোনাগাজীতে প্রচুর সহায় সম্পত্তির মালিক তিনি। কাপ্তাইয়ে আছে কয়েকটি ট্রাক। আছে ভাড়া ঘরও।

এত কিছু পেলেও ফয়েজ আহমেদ নিজের হোটেলে তরকারি বাড়ার কাজটি নিজেই করেন। ক্যাশে টাকা নেন ক্যাশিয়ার। ডেকচির গোড়ায় তার সহযোগী হিসেবে দেখা যায় দুই কিশোরকে।

বিদ্যুৎ বিভাগের জায়গায় গড়া ঝুপড়ি হোটেলটিতে নেই হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা। বাইরে রাখা প্লাস্টিক ট্যাংক থেকে পানি নিয়ে হাত ধুতে হয়।

লেখক: যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংকাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ