শিরোনাম
নিংশ্বাসের বন্ধু’র প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রামে ১৬-১৭ জুন থিয়েটার থেরাপি প্রয়োগ বিষয়ক রিফ্রেশার্স ট্রেনিং চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরুরী রোগী ব্যবস্থাপনার দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু চা শ্রমিক নেতা বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যুতে চা শ্রমিক নেতাদের শোক প্রকাশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ভ্যাট চায় না চট্টগ্রাম সিটি ছাত্রদল বিডার কাছে ব্যবসায় সহজীকরণের উদ্যোগ চায় বিজিএমইএ মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে বেপজার প্লট পেল বঙ্গ প্লাস্টিকসহ দেশি বিদেশি দশ প্রতিষ্ঠান ভারতীয় ভেরিয়েন্ট দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে কাউন্সিলর শহিদুল আলম টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৮০০ পিস আন্দামান গোল্ড বিয়ার জব্দ
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

করোনা: ভারতের সঙ্গে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করার দাবি মানবাধিকার কমিশনের আমিনুলের

পরম বাংলাদেশ প্রতিবেদন / ১২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
আমিনুল হক বাবু

চট্টগ্রাম: ভারতে করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশটির সঙ্গে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের গভর্নর আমিনুল হক বাবু।

রোববার (২৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে আমিনুল হক বাবু বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল ভারতে টানা চতুর্থ দিনের মত তিন লাখেরও বেশি রোগী শনাক্ত ও দুই হাজারের বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৫ এপ্রিল) সকালে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আগের ২৪ ঘণ্টায় তিন লাখ ৪৯ হাজার ৬৯১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে কোথাও এক দিনে এত রোগী আর শনাক্ত হয়নি। নতুন শনাক্তদের নিয়ে ভারতে মোট কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা এক কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ওই একই সময় দেশটিতে আরো দুই হাজার ৭৬৭ জনের মৃত্যু হওয়ায় করোনাভাইরাসজনিত কারণে মৃতের মোট সংখ্যা এক লাখ ৯২ হাজার ৩১১ জনে দাঁড়িয়েছে।’

মানবাধিকার সংগঠনের নেতা আমিনুল হক বাবু বলেন, ‘ভারতে হাসপাতালগুলো রোগীতে উপচে পড়েছে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেক হাসপাতাল রোগী ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। হাসপাতালের বাইরে ট্রলিতেই বিনা চিকিৎসায় অনেক রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। অপর দিকে, হাসপাতালগুলোতেও অক্সিজেন অভাবে রোগীরা দমবন্ধ হয়ে মারা যাচ্ছে। সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিমবাংলায় সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়েছে ‘

তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় সীমান্তবর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশও মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। এমনিতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে আমরা বেশ বেকায়দায় রয়েছি। তার উপর ভারতের এ নতুন ধরণ যদি দেশে ছড়িয়ে পড়ে তবে নানা সীমাবদ্ধতার আমাদের অবস্থা কী হবে তা সহজেই অনুমেয়।’

‘এখনই যদি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কড়াকড়ি করা না যায় তবে আমাদের দেশও মৃত্যুপুরী হতে বেশি সময় নেবে না। যদি বর্ডার পুরো বন্ধ না করা যায় তাহলে যারা ভারত থেকে আসবে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে। এটার বিকল্প কিছু নেই। আশা করি, প্রধান মন্ত্রী নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও যেভাবে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করছেন; সেভাবে সীমান্তে কড়াকড়ির বিষয়েও তিনি যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।’ যোগ করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি আমিনুল হক বাবু।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ