শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম’র আইটি বিশেষজ্ঞ গ্রেফতার চট্টগ্রামে সাদার্ন ইউনিভার্সিটিতে দুই মাসব্যাপী আন্তঃবিভাগ বির্তক প্রতিযোগিতা শুরু নাভানাসহ সীতাকুণ্ডের সব কারখানায় ঈদুল আজহার আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দাবি পরিবেশ বিষয়ক গল্প : মন পড়ে রয় । নাজিম হোসেন শেখ পিএইচপি অটো মোবাইলসের তৈরি অ্যাম্বুলেন্স উপহার পেল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সোতোকান কারাতে স্কুল চট্টগ্রামের কারাতে বেল্ট প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চট্টগ্রামের পাহাড় অপরাজনীতি, অপেশাদার আমলাগিরির শিকার হাটহাজারী নাজিরহাট কলেজে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন

করোনায় ভ্যাট পরিশোধে বিলম্ব ফি অব্যাহতি চান চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

চট্টগ্রাম: অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও ভ্যাট পরিশোধ সহজ করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। একই সাথে যে সব ব্যবসায়ী করোনা পরিস্থিতির কারণে সময় মতো ভ্যাট পরিশোধ করতে পারেন নি, তাদেরকে বিলম্ব ফি ব্যতীত মূল কর পরিশোধের সুযোগ চেয়েছেন তারা।

এর জন্য ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম।

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) এনবিআর চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো এক পত্রে তিনি বলেন, ‘মহামারী কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে বাংলাদেশেও আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বছরের শুরু থেকে আরম্ভ হওয়া মহামারীর ছোবলে ব্যবসায়-বাণিজ্যসহ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্থবিরতা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের বৃহৎ অংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী। দেশের অর্থনীতিতে তাঁদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের কারণে ঈদ-উল-ফিতরের জাতীয় উৎসব সেভাবে পালিত না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।’

পত্রেরচেম্বার সভাপতি আরো বলেন, ‘বর্তমানে আবারো করোনার প্রকট বৃদ্ধিতে ব্যবসায়-বাণিজ্যিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বড় বড় মার্কেট শপিং মলগুলো খোলা থাকলেও ব্যবসায়িক লেনদেন তুলনামূলক অনেক কমে গেছে। এ প্রেক্ষাপটে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ব্যয়, কর্মীদের বেতন ভাতা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল, টেলিফোন বিল ইত্যাদি মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যে সব ব্যবসায়ী এক সময় নিয়মিতভাবে সরকারকে আয়কর, ভ্যাট ইত্যাদি রাজস্ব প্রদান করতো, তাঁরা এখন আর্থিক দূরাবস্থার কারণে অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পক্ষে নির্দিষ্ট সময়ে ভ্যাট প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।’

বর্তমানে অনলাইন ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন চালু করা হয়েছে যা আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে অনেক ব্যবসায়ী এসব পদ্ধতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে নানাবিধ জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। অনলাইন পদ্ধতিতে অনেক ক্ষেত্রে আপনা আপনি জরিমানা যুক্ত হয়ে দেনার পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ধরনের হয়রানীর সম্মুখীন হচ্ছেন এবং রাজস্ব আদায় বিলম্বিত হচ্ছে বলে মাহবুবুল আলম ওই পত্রে উল্লেখ করেন।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও ভ্যাট পরিশোধ সহজ করতে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং যে সব ব্যবসায়ী করোনা পরিস্থিতির কারণে সময়মতো ভ্যাট পরিশোধ করতে পারেন নি, তাদেরকে কোনরূপ জরিমানা বা বিলম্ব ফি ব্যতীত মূল কর পরিশোধের সুযোগ দিয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার জন্য এনবিআর চেয়ারম্যানের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ