শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন

ঐতিহাসিক স্থাপনা বেদখলে সরকার ও প্রশাসনের কড়া সমালোচনা চট্টগ্রামে

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ১৫৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২১

চট্টগ্রাম: ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত চট্টগ্রাম নগরীর রহমতগঞ্জে অবস্থিত যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ি অবৈধ দখলের কবল থেকে রক্ষা করে এটি সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করে স্মৃতি জাদুঘর করার দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) বিকালে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে নাগরিক সংগঠন পিপলস ভয়েস এবং চট্টগ্রাম বিপ্লব ও বিপ্লবী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশ থেকে বক্তারা রহমতগঞ্জের বাড়িসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর জমি অধিগ্রহণ করে সংরক্ষণ ও জাদুঘর করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘যাত্রামোহন সেনগুপ্তের পরিবারের সদস্যরা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। চট্টগ্রামের শিক্ষার উন্নয়নে অনেক কাজ করেছিলেন। বিভিন্ন সমযে রহমতগঞ্জের ওই ভবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদস্পর্শে ধন্য হয়েছে। এ বাড়ি যাদের স্মৃতিতে ধন্য তারা বিভাগপূর্ব ভারতবর্ষের রাজনীতির অন্যতম কর্ণধার ছিলেন। এটি চট্টগ্রামসহ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় তাঁদের স্থাপনা রক্ষার করার কেউ নেই।’

বক্তারা আক্ষেপ করে বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরেও দেশের ঐতিহাসিক অনেক স্থাপনা বেদখল হয়ে গেছে। এগুলো সংরক্ষণে সরকার, প্রশাসনের যেন কিছু করার নেই। কোনো একটা ঘটনা ঘটলে সবাই নড়েচড়ে বসে। এভাবে চলতে পারে না।’

সমাবেশ থেকে বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও উপমহাদেশের রাজনৈতিক স্মৃতি সংরক্ষণের দাবিও জানান।

পিপলস ভয়েসের সভাপতি শরিফ চৌহানের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক প্রীতম দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক ডা. মাহফুজুর রহমান, সিপিবি চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অশোক সাহা, সাংবাদিক প্রদীপ দেওয়ানজী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক হোসাইন কবীর, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক রাশেদ হাসান, সাংস্কৃতিক সংগঠক সুনীল ধর, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ রুদ্র।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণমুক্তি ইউনিয়নের নেতা নজরুল ইসলাম, ন্যাপনেতা মিটুল দাশগুপ্ত, খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগরী কমিটির কবি আশীষ সেন ও মোরশেদুল আলম, সেক্টরস কমান্ডার ফোরামের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বেদারুল আলম চৌধুরী, প্রীতিলতা স্মৃতিরক্ষা কমিটি পাহাড়তলীর আহবাযক মহিন উদ্দিন, ওর্য়াকার্স পার্টি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সদস্য অধ্যাপক শিবু দাশ, পিপলস ভয়েসের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চট্টগ্রামের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন, যুবমৈত্রীর চট্টগ্রাম জেলা কমিটির মোহাম্মদ মহসিন ও খোকন মিয়া, সংগঠক সৌরভ বড়ুয়া নজরুল ইসলাম মান্না, নাসরিন খানম, সংগঠক এম শাহাদাত নবী খোকন, ছাত্রমৈত্রী চট্টগ্রাম জেলার আহ্বায়ক আলাউদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব সাজু, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল করিম, অমর-সাত্তার পাঠাগারের সংগঠক অমিতাভ সেন, খেলাঘর সংগঠক রুবেল দাশ প্রিন্স প্রমুখ।

প্রেস নিউজ

add

আপনার মতামত লিখুন :

2 responses to “ঐতিহাসিক স্থাপনা বেদখলে সরকার ও প্রশাসনের কড়া সমালোচনা চট্টগ্রামে”

  1. We want preservation of historic Jata Mohon Sen Gupta’s Residance and all the heritages. Thanks People’s Voice and Chowhan Bhai for giving our NGO-PARC being the part of the Logical Movement. Manna, CEO, PARC

  2. We want preservation of all the heritages. Thanks People’s Voice and Chowhan Bhai for giving our NGO-PARC being the part of the Logical Movement. Manna, CEO, PARC

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ